• ঢাকা
  • শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০১:৫৩ এএম


‘গ্রামে গেলে বিদ্যুতের সমস্যা আমাদের বিব্রত করে’—সংসদে এমপি

দি পালস বিডি অনলাইন ডেস্ক
আপডেট টাইম: ৯ জুলাই ২০২৬ ১২:০৭ পিএম

গ্রামাঞ্চলে বিদ্যুৎ সংকট এখন বড় একটি সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে জাতীয় সংসদে মন্তব্য করেছেন জামালপুর-৩ আসনের সরকারদলীয় সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল। তিনি বলেন, গ্রামে-গঞ্জে গেলে বিদ্যুতের বিষয়টি তাদের বিব্রত ও অস্বস্তিতে ফেলে।

বুধবার (৮ জুলাই) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সম্পূরক প্রশ্ন করার সময় তিনি এসব কথা বলেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল বলেন, তার নির্বাচনী এলাকা মেলান্দহ ও মাদারগঞ্জ উপজেলায় পিক আওয়ারে বিদ্যুতের চাহিদা ৪৩ মেগাওয়াট হলেও বর্তমানে সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ২৭ মেগাওয়াট। একইভাবে অফ-পিক আওয়ারে ৩৮ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ করা হচ্ছে ২৫ মেগাওয়াট।

তিনি জানান, এ কারণে এলাকায় গড়ে ৩৪ থেকে ৩৮ শতাংশ পর্যন্ত লোডশেডিং হচ্ছে। এই পরিস্থিতি থেকে কবে নাগাদ উত্তরণ সম্ভব হবে এবং কবে নাগাদ এলাকার বিদ্যুৎ গ্রাহকদের লোডশেডিং থেকে মুক্তি দেওয়া যাবে—এ বিষয়ে সরকারের পরিকল্পনা জানতে চান তিনি।

জবাবে বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, ময়মনসিংহ অঞ্চলে ট্রান্সমিশন লাইনে সমস্যা রয়েছে। এ সমস্যা সমাধানে সরকার নতুন ট্রান্সমিশন লাইন নির্মাণের প্রকল্প হাতে নিয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, ট্রান্সমিশন লাইনের জন্য বড় বড় টাওয়ার নির্মাণ করতে হয়। তবে জমির মালিকদের করা মামলার কারণে বিভিন্ন সময় আদালতের স্থগিতাদেশ আসায় দীর্ঘদিন ধরে এসব লাইনের কাজ এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়নি।

তিনি আরও জানান, জয়দেবপুর-শম্ভুগঞ্জ ট্রান্সমিশন লাইনের জন্য ভালুকায় এক জমির মালিকের দায়ের করা মামলায় সরকার বিজয়ী হয়েছে। এরপরও কাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি। তবে সম্প্রতি ভালুকার সংসদ সদস্যের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে। তার সহযোগিতায় খুব শিগগিরই কাজ আবার শুরু করা যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

বিদ্যুৎমন্ত্রী বলেন, ট্রান্সমিশন লাইনের নির্মাণকাজ সম্পন্ন হলে ওই অঞ্চলের বিদ্যুৎ সংকট অনেকটাই কমে আসবে বলে সরকারের প্রত্যাশা।

/এসএন