আশুলিয়া ও মিরপুরে পোশাকশ্রমিকদের চলমান আন্দোলনে শ্রমিক লীগের সন্ত্রাসীরা অনুপ্রবেশ করছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন। তিনি বলেছেন, শ্রমিকদের ন্যায্য দাবির প্রতি সরকার আন্তরিক এবং ন্যায্যতার ভিত্তিতেই এসব দাবি পূরণ করা হবে। তবে শ্রমিক আন্দোলনের সুযোগ নিয়ে পতিত শক্তি গাড়িতে আগুন দেওয়া ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে।
রাশেদ খাঁন বলেন, ডিসেম্বরকে সামনে রেখে ১৯৭১ সালের পরাজিত শক্তি এবং ২০২৪ সালের পরাজিত শক্তি একজোট হয়ে দেশের অগ্রযাত্রা ব্যাহত করার ষড়যন্ত্র করছে।
তিনি আরও বলেন, আশুলিয়া ও মিরপুরে সংঘটিত অগ্নিসন্ত্রাসের দায় জামায়াতের আমির এড়াতে পারেন না। তারা বলেছিল, সবকিছু তছনছ করে দেওয়া হবে। বর্তমান ঘটনাগুলো সেই পরিকল্পনারই অংশ বলে মন্তব্য করেন তিনি।
এ সময় পিরোজপুরের বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর জানাজা ও দাফনে বাধা দেওয়ার ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী।
তিনি বলেন, পিরোজপুরের ঘটনাটি দেশের জন্য কলঙ্কজনক। ১৯৭১ সালের স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি এখনো রাজনৈতিক কারণে টিকে রয়েছে। তাদের ষড়যন্ত্র বন্ধ হয়নি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
মো. রাশেদ খাঁন আরও বলেন, ‘পিরোজপুরের বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর জানাজা ও দাফনের বাধা সৃষ্টি করেছে জামায়াত শিবির। এ নিয়ে তারা বিবৃতি দিয়েছে, তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। কিন্তু এখনো সেই তদন্তের বিষয়ে কিছু জানা যায়নি।’
সাম্য ও মানবিক মর্যাদা পূর্ণাঙ্গভাবে প্রতিষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত মুক্তিযোদ্ধাদের আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার আহ্বানও জানান তিনি।
/এসএন