• ঢাকা
  • শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৫১ এএম


সাজেকে আটকা প্রায় ৫০০ পর্যটক, ভাড়া নেবেন না রিসোর্ট মালিকরা

দি পালস বিডি অনলাইন ডেস্ক
আপডেট টাইম: ৮ জুলাই ২০২৬ ৯:৪৩ পিএম

টানা ভারী বর্ষণ, পাহাড়ধস ও পাহাড়ি ঢলের কারণে খাগড়াছড়ি-সাজেক সড়কের বিভিন্ন অংশ পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় সাজেক ভ্যালিতে প্রায় ৫০০ পর্যটক আটকা পড়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে আটকে থাকা পর্যটকদের কাছ থেকে রিসোর্টের কক্ষভাড়া না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন স্থানীয় রিসোর্ট মালিকরা।

পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সন্ধ্যায় পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সাজেক পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসন। তবে সিদ্ধান্ত কার্যকরের আগেই শত শত পর্যটক সেখানে অবস্থান করছিলেন। ফলে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ায় তারা আপাতত ফিরে আসতে পারছেন না।

টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে খাগড়াছড়ির মাইনী নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় সাজেকে যাতায়াতের একাধিক সড়ক পানির নিচে চলে গেছে। একই কারণে রাঙামাটির বাঘাইছড়ি ও লংগদু উপজেলার সঙ্গে সড়ক যোগাযোগও বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, কয়েক দিনের ভারী বর্ষণে মাইনী নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বাঘাইছড়ি-দীঘিনালা এবং লংগদু-দীঘিনালা সড়কের বিভিন্ন অংশ প্লাবিত হয়েছে। পাশাপাশি কয়েকটি স্থানে পাহাড়ধস এবং কোথাও কোথাও সড়কের মাটি ধসে পড়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

এদিকে, মাইনী নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় লংগদু-দীঘিনালা সড়কের মেরুং এলাকায় সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। একই সময়ে রাঙামাটি-খাগড়াছড়ি সড়কের নানিয়ারচরের কেঙ্গেলছড়ি এলাকায়ও সড়কের ওপর পানি উঠে যাওয়ায় যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। কয়েকটি স্থানে হাঁটুসমান পানি জমে স্থানীয় বাসিন্দাদের দুর্ভোগও বেড়েছে।

সাজেক কটেজ অ্যান্ড রিসোর্ট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব সাজেকের দপ্তর সম্পাদক এস এম জিয়াউল হক (যুবরাজ) জানান, বাঘাইহাট ও মাচালং এলাকার নিচু অংশে সড়কে পানি ওঠায় প্রায় ৫০০ পর্যটক সাজেকে আটকা পড়েছেন।

তিনি বলেন, সমিতির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আটকে পড়া পর্যটকদের কাছ থেকে রিসোর্টের কক্ষভাড়া নেওয়া হবে না। শুধুমাত্র পানি ও অন্যান্য ইউটিলিটি বিল নেওয়া হবে। এছাড়া স্থানীয় খাবারের দোকানগুলোও সীমিত খরচে পর্যটকদের খাবারের ব্যবস্থা করবে।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে পাহাড়ধস ও জলাবদ্ধতার পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে। তাই প্রয়োজন ছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় ভ্রমণ না করার জন্য সবাইকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

/এএসএফ