• ঢাকা
  • শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৩৩ এএম


বিশ্বকাপ ফাইনালের পর মারামারি, আর্জেন্টিনার আচরণে ক্ষুব্ধ ফুটবল বিশ্ব!

দি পালস বিডি অনলাইন ডেস্ক
আপডেট টাইম: ২০ জুলাই ২০২৬ ৮:০৭ পিএম

ফাইনালের পর মাঠে সংঘর্ষ, সমালোচনার মুখে আর্জেন্টিনা

২৩তম ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হারের পর মাঠে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। শেষ বাঁশি বাজার পর দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে, যা ঘিরে আর্জেন্টিনার কয়েকজন ফুটবলারের আচরণ ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।

ম্যাচের অতিরিক্ত সময়ের শুরুতেই দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার এনসো ফার্নান্দেস। ফলে ১০ জনের দলে পরিণত হয় আর্জেন্টিনা। এরপর স্পেন জয়সূচক গোল করলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

সংঘর্ষের জেরে লিয়ান্দ্রো পারেদেসকে সরাসরি লাল কার্ড দেখান রেফারি। এর মাধ্যমে বিশ্বকাপের ইতিহাসে দ্বিতীয়বারের মতো কোনো ফাইনালে আর্জেন্টিনার দুই খেলোয়াড় লাল কার্ড দেখার ঘটনা ঘটল। এর আগে ১৯৯০ সালের ফাইনালেও এমন নজির ছিল।

ঘটনার সময় বদলি খেলোয়াড় নাহুয়েল মলিনাসহ কয়েকজন আর্জেন্টাইন ফুটবলার স্পেনের খেলোয়াড়দের সঙ্গে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন। বিশৃঙ্খলার মধ্যে আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনি নিজেই পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন।

ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে স্কালোনি বলেন, “জয়ের সময় যেমন আমাদের বিনয়ী হওয়া উচিত, পরাজয়ের সময়েও সেই শিষ্টাচার বজায় রাখা জরুরি।”

ঘটনাটি নিয়ে ফুটবল বিশ্লেষকদের মধ্যেও তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। বিবিসির ধারাভাষ্যকার ও ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক অ্যালান শিয়ারার এ ঘটনাকে “ভয়াবহ” বলে মন্তব্য করেন। সাবেক গোলরক্ষক জো হার্ট বলেন, মাঠে পরাজয়ের পর লিওনেল মেসির আচরণই ছিল সবচেয়ে ইতিবাচক উদাহরণ। অন্যদিকে ওয়েন রুনি, গ্যারি নেভিল, মিকাহ রিচার্ডস ও লি ডিক্সনও আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের আচরণ এবং তাদের রক্ষণাত্মক খেলার কড়া সমালোচনা করেন।

সংঘর্ষ থেমে যাওয়ার পর স্পেনের কয়েকজন খেলোয়াড় কান্নারত লিওনেল মেসির কাছে গিয়ে তাকে সান্ত্বনা দেন। এদিকে দুই দলের কোচও একে অপরকে আলিঙ্গন করেন। তবে ট্রফি হস্তান্তরের সময় আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের আচরণ নিয়েও আলোচনা তৈরি হয়।

ম্যাচের পরিসংখ্যানেও ছিল স্পেনের স্পষ্ট আধিপত্য। পুরো ম্যাচে স্পেন ২০টি শট নেয়, যেখানে আর্জেন্টিনা নিতে পারে মাত্র দুটি শট, যার একটিও লক্ষ্যে ছিল না। বল দখলেও এগিয়ে ছিল স্পেন; আর্জেন্টিনার দখলে ছিল মাত্র ৩৫ শতাংশ বল।

/এএসএফ