• ঢাকা
  • সোমবার, ০৩ আগস্ট ২০২৬, ০৪:৫৬ পিএম


কোরবানির পশুর যেসব অংশ খাওয়া থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে

দি পালস বিডি অনলাইন ডেস্ক
আপডেট টাইম: ১৪ মে ২০২৬ ৪:৩১ পিএম

কোরবানি মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশ্যে আদায় করা একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। ইসলামী শরিয়ত অনুযায়ী, নির্দিষ্ট সময়ে নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক ব্যক্তির ওপর কোরবানি ওয়াজিব হয়। ‘কোরবানি’ শব্দটি আরবি, যার অর্থ নৈকট্য লাভ করা, খুব কাছে পৌঁছানো বা উৎসর্গ করা।

পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেছেন, “আমি প্রত্যেক উম্মতের জন্যে কোরবানি নির্ধারণ করেছি, যাতে তারা আল্লাহর দেওয়া চতুষ্পদ জন্তু জবেহ করার সময় আল্লাহর নাম উচ্চারণ করে। অতএব তোমাদের উপাস্য তো একমাত্র আল্লাহ, সুতরাং তাঁরই আনুগত্য কর এবং বিনয়ীদের সুসংবাদ দাও।” (সুরা হজ, আয়াত: ৩৪)

ইসলামে কোরবানির পশুর গোশত খাওয়া হালাল হলেও কিছু অংশ খাওয়া থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা রয়েছে। বিশেষভাবে প্রবাহিত রক্তকে সম্পূর্ণভাবে হারাম ঘোষণা করা হয়েছে।

এছাড়া বিভিন্ন হাদিসে পশুর কিছু নির্দিষ্ট অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ খাওয়ার বিষয়ে অনীহা ও নিষেধের ইঙ্গিত পাওয়া যায়। হাদিস গ্রন্থগুলোতে উল্লেখ রয়েছে, নবীজি হজরত মুহাম্মদ (সা.) এসব বিষয়ে সতর্ক থাকার নির্দেশনা দিয়েছেন।

হাদিসের একাধিক বর্ণনায় বিখ্যাত তাবেয়ি হজরত মুজাহিদ (রহ.) থেকে বর্ণিত হয়েছে যে, নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বকরির সাতটি জিনিস খেতে অপছন্দ করতেন। সেগুলো হলো—প্রবাহিত রক্ত, পিত্ত, মূত্রথলি, মাংসগ্রন্থি, নর পশুর গুপ্তাঙ্গ, মাদি পশুর গুপ্তাঙ্গ এবং অণ্ডকোষ। (বায়হাকি)

ধর্মীয় আলেমরা বলছেন, কোরবানির পশু জবেহ ও গোশত বণ্টনের ক্ষেত্রে ইসলামী বিধান মেনে চলার পাশাপাশি খাদ্য গ্রহণের ক্ষেত্রেও হাদিসে বর্ণিত নির্দেশনার প্রতি গুরুত্ব দেওয়া উচিত।

/এসএন