• ঢাকা
  • রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬, ১১:২৭ এএম


মুখ খুললেন শফিকুল ইসলাম মাসুদ

নির্বাচনের আগে ইসলামী ব্যাংক থেকে বিনা জামানতে ঋণের অভি’যোগ

দি পালস বিডি অনলাইন ডেস্ক
আপডেট টাইম: ২০ জুন ২০২৬ ৮:৪৭ পিএম

নির্বাচনী বৈতরণী পার হতে একটি রাজনৈতিক দলকে ইসলামী ব্যাংকের একটি প্রকল্প থেকে ১১ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। এ প্রসঙ্গে মঙ্গলবার (১৬ জুন) এক গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নিজের অবস্থান তুলে ধরেছেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ।

সাক্ষাৎকারে তাকে প্রশ্ন করা হয়, নির্বাচনের আগে তার স্ত্রী ইসলামী ব্যাংক থেকে বিনা জামানতে ২ কোটি ৫২ লাখ টাকা ঋণ নিয়েছেন—এ অভিযোগের সত্যতা কতটুকু।

জবাবে ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, তার স্ত্রী ঋণ নিয়েছেন এবং বিষয়টি কোনো গোপন বিষয় নয়। তিনি জানান, তার স্ত্রী একজন চক্ষু বিশেষজ্ঞ এবং নিয়ম মেনেই ওই হোম লোন গ্রহণ করেছেন।

তিনি বলেন, “হ্যাঁ ঋণ নিয়েছেন। আমার স্ত্রী একজন চক্ষু বিশেষজ্ঞ। অত্যন্ত নিয়ম মেনেই তিনি এই হোম লোন নিয়েছেন। একটা ব্যাংক থেকে একজন চক্ষু বিশেষজ্ঞ, তার এই দুই কোটি টাকার লোন নেওয়াটা তো আলোচনার মধ্যে আসার বিষয়ই না।”

এর আগে বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁন অভিযোগ করেন, নির্বাচনের আগে ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ তার স্ত্রীর নামে ইসলামী ব্যাংক থেকে বিনা জামানতে ২ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে রাশেদ খাঁন দাবি করেন, জামায়াতের নেতারা নিজেদের নামে নয়, বরং আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব কিংবা দলের সাধারণ কর্মীদের নামে ঋণ নিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করেন। তার ভাষ্য, এ কারণে তাদের ঋণগ্রস্ত বা ঋণখেলাপি হিসেবে চিহ্নিত করার সুযোগ থাকে না।

রাশেদ খাঁন আরও লিখেছেন, “আবার তাদের ক্ষমতা দেখেন, বিনা জামানতে তারা কোটি কোটি টাকা ঋণ পায়, কিন্তু আমি আপনি কি পাবো?”

তবে এসব অভিযোগকে সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখ্যান করেছেন ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ। তার দাবি, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং ব্যক্তিগত প্রতিহিংসা থেকে উত্থাপন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, তার পরিবারের নেওয়া ঋণ ব্যাংকের নিয়মনীতি অনুসরণ করেই গ্রহণ করা হয়েছে এবং বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক তৈরির কোনো যৌক্তিকতা নেই।

/এসএন