• ঢাকা
  • শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ১২:০৪ পিএম


কাপাসিয়ায় স্ত্রী-সন্তানসহ পাঁচজনের হত্যায় ময়নাতদন্তে এলো নির্মমতার ভয়াবহ চিত্র

দি পালস বিডি অনলাইন ডেস্ক
আপডেট টাইম: ১২ মে ২০২৬ ১১:০৬ এএম

গাজীপুরের কাপাসিয়ায় স্ত্রী, তিন সন্তান ও শ্যালককে হত্যার ঘটনায় ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে ভয়াবহ ও নির্মম হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত তথ্য উঠে এসেছে। সোমবার (১১ মে) গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের চিকিৎসক মো. মাজহারুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেন।ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিহত শারমিন খানম, তার ভাই রসুল মোল্লা এবং বড় দুই মেয়ে মীম ও হাবিবাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। এছাড়া তাদের শরীরের বিভিন্ন অংশে ধারালো অস্ত্রের একাধিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, ছোট মেয়ে ফারিয়াকে ঘরের মেঝেতে ফেলে মুখ চেপে ধরে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে।

ফরেনসিক বিভাগের চিকিৎসক মো. মাজহারুল হক জানান, শারমিন খানমকে হত্যার আগে তার দুই হাত ও মুখ বেঁধে রাখা হয়েছিল। পরে তাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।তিনি আরও বলেন, নিহতদের শরীরে কোনো চেতনানাশক বা নেশাজাতীয় দ্রব্যের প্রভাব ছিল কি না, তা যাচাই করতে পেটের ভেতরের নমুনা এবং ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা খাবার ও নেশাজাতীয় দ্রব্য সিআইডির পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়েছে।

পরীক্ষার প্রতিবেদন হাতে এলে ঘটনার আরও বিস্তারিত জানা যাবে।এ ঘটনায় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ও পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) যৌথভাবে তদন্ত করছে।গত শনিবার (৯ মে) সকালে কাপাসিয়ার রাউৎকোনা গ্রামের একটি আবাসিক ভবন থেকে পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহতরা জীবিকার তাগিদে সেখানে বসবাস করছিলেন।

নিহত শারমিনের বাবা বাদী হয়ে ফোরকান মোল্লাকে প্রধান আসামি করে অজ্ঞাত চারজনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। অভিযোগ রয়েছে, দীর্ঘদিনের পারিবারিক কলহের জেরে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে।পুলিশ জানিয়েছে, মূল অভিযুক্ত ফোরকান মোল্লাকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি চিরকুটও উদ্ধার করা হয়েছে, যেখানে হত্যার বিষয়ে উল্লেখ ছিল বলে তদন্ত সূত্রে জানা গেছে।

/বিএসএস