• ঢাকা
  • শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:১৮ পিএম


নতুন বিধিমালাঃ ফুটপাতে খাবার বিক্রিতেও লাগবে নিবন্ধন

দি পালস বিডি অনলাইন ডেস্ক
আপডেট টাইম: ২৯ জুলাই ২০২৬ ১২:৪০ পিএম

বাংলাদেশে বর্তমানে খাদ্য পরিবেশনকারী প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা প্রায় সাড়ে চার লাখ। এর মধ্যে হোটেল, রেস্তোরাঁ, চা-স্টলসহ বিভিন্ন ধরনের খাদ্য বিক্রয় প্রতিষ্ঠান রয়েছে। পাশাপাশি দেশে প্রায় ৬৭ হাজার ফাস্ট ফুডের দোকানও রয়েছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ হিসাব থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

গত ১৬ জুলাই প্রকাশিত এক গেজেটে বলা হয়েছে, ছোট ও মাঝারি পর্যায়ের খাদ্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিবন্ধনের আওতায় আনতে হবে। এছাড়া বিশেষ বা গুরুত্বপূর্ণ খাদ্যপণ্য নিয়ে যেসব প্রতিষ্ঠান কাজ করে, তাদের লাইসেন্স গ্রহণও বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

২০২৪ সালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা যায়, ঢাকায় বিক্রি হওয়া জনপ্রিয় বিভিন্ন স্ট্রিট ফুডে উদ্বেগজনক মাত্রায় ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি রয়েছে।

দেশজুড়ে লাখ লাখ ভ্রাম্যমাণ খাবারের দোকান থাকলেও এসব প্রতিষ্ঠানের সুনির্দিষ্ট সংখ্যা নেই। বুধবার (২৯ জুলাই) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বিবিসি জানায়, ঢাকাসহ দেশের বড় শহরগুলোতে বিপুলসংখ্যক মানুষ নাশতা কিংবা দুপুরের খাবারের জন্য ফুটপাতের খাবারের দোকানের ওপর নির্ভরশীল। অনেক দোকান আবার ফুটপাতেই চুলা বসিয়ে রান্না করে খাবার বিক্রি করে। চায়ের দোকান থেকে শুরু করে ভ্রাম্যমাণ ভ্যানে পরিচালিত ফাস্ট ফুডের দোকানেরও কোনো নির্ভুল পরিসংখ্যান পাওয়া যায় না।

প্রতিবেদনটিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুড অ্যান্ড রিসার্চ ল্যাবরেটরির প্রধান বিজ্ঞানী ড. লতিফুল বারীর বক্তব্য তুলে ধরা হয়েছে। তিনি বলেন, দেশে দোকানের খাবার কীভাবে প্রস্তুত হচ্ছে, কী ধরনের উপকরণ ব্যবহার করা হচ্ছে বা পুরো প্রক্রিয়াটি কীভাবে পরিচালিত হচ্ছে—এসব তদারকির কার্যকর কোনো ব্যবস্থা এখনো গড়ে ওঠেনি বলে খাদ্য গবেষকদের দাবি। একই সঙ্গে এসব খাদ্য নিরাপদ কি না, তা যাচাই করার মতো পর্যাপ্ত সক্ষমতাও সরকারের নেই।

তবে নতুন এই বিধিমালা কার্যকর হওয়াকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন ড. লতিফুল বারী। তার মতে, এর ফলে ছোট-বড় খাদ্য ব্যবসাগুলো ধীরে ধীরে একটি নিয়ন্ত্রিত কাঠামোর আওতায় আসবে, যা খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

/এসএন