• ঢাকা
  • শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:২৮ এএম


মাদ’কবিরোধী অভি’যানে কর্মকর্তারা পাচ্ছেন ৯ এমএম পি’স্তল, ঘোষণা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

দি পালস বিডি অনলাইন ডেস্ক
আপডেট টাইম: ২৬ জুন ২০২৬ ১০:৩০ পিএম

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) কর্মকর্তাদের জন্য আধুনিক ৯ এমএম পিস্তল দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে আগামী দু-এক দিনের মধ্যেই প্রয়োজনীয় আইন সংশোধন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। পাশাপাশি ডিএনসির সক্ষমতা বাড়াতে দেশের প্রতিটি জেলায় আধুনিক মাদক পরীক্ষাগার, নিজস্ব হাজতখানা এবং প্রশিক্ষিত ডগ স্কোয়াড গঠনের পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন তিনি।

শুক্রবার (২৬ জুন) সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ‘মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব তথ্য জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ডিএনসি কর্মকর্তাদের আধুনিক ৯ এমএম পিস্তল সরবরাহের জন্য প্রয়োজনীয় আইন আগামী দু-এক দিনের মধ্যে সংশোধন করা হবে। একই সঙ্গে অধিদপ্তরের কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে নিজস্ব হাজতখানা, অপরাধী শনাক্তে প্রশিক্ষিত ডগ স্কোয়াড এবং প্রতিটি জেলায় আধুনিক মাদক পরীক্ষাগার স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মাদকবিরোধী অভিযানকে আরও কার্যকর করতে কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও আধুনিক সরঞ্জাম সরবরাহের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘মাদক কর্মকর্তাদের আধুনিক অস্ত্র ও যথাযথ প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে, যাতে তারা মাঠপর্যায়ে মাদক মাফিয়াদের বিরুদ্ধে শক্তভাবে লড়াই করতে পারেন। ইতোমধ্যে প্রতিটি জেলায় একটি করে উন্নত ল্যাবরেটরি স্থাপনের প্রস্তাব অনুমোদন বা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’

অনুষ্ঠানে মাদকসংক্রান্ত মামলার দীর্ঘসূত্রিতা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি জানান, বিচারকের স্বল্পতার কারণে শুধু ঢাকাতেই প্রায় ৮০ হাজার মাদক মামলা নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে।

তিনি বলেন, এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার বিশেষ আদালত গঠনের উদ্যোগ নিচ্ছে। পাশাপাশি মামলার সংখ্যা ও গুরুত্ব বিবেচনায় দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বক্তব্যে তিনি ঔপনিবেশিক আমলের বিভিন্ন আইন সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার বিষয়ও তুলে ধরেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এখনও ১৮৬৭ সালের আইন দিয়ে জুয়া-সংক্রান্ত অপরাধের সাজা নির্ধারণ করা হচ্ছে। সরকার এসব পুরোনো আইনের সংস্কার করতে চায়। একই সঙ্গে সাইবার অপরাধ দমনে বিদ্যমান সাইবার আইনও আরও কঠোর ও কার্যকর করা হচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, মাদক নির্মূলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বিচারিক প্রক্রিয়া দ্রুততর করার মাধ্যমে মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর অবস্থান নেওয়া হবে।

/এসএন