• ঢাকা
  • সোমবার, ০৩ আগস্ট ২০২৬, ০৭:৩৩ পিএম


বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানদেরও বদলির সুযোগ, জারি নতুন নীতিমালা

দি পালস বিডি অনলাইন ডেস্ক
আপডেট টাইম: ৭ মে ২০২৬ ৪:৩২ পিএম

বেসরকারি স্কুল ও কলেজের এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানপ্রধানদেরও বদলির সুযোগ রেখে নতুন সংশোধিত নীতিমালা জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জন্য প্রতি দুই বছর পরপর বদলির আবেদন করার সুযোগও রাখা হয়েছে।

বুধবার (৬ মে) মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মিজানুর রহমান স্বাক্ষরিত এক পরিপত্রে সংশোধিত বদলি নীতিমালা প্রকাশ করা হয়।

নীতিমালায় বলা হয়েছে, কোনো শিক্ষক বদলি হয়ে নতুন কর্মস্থলে যোগদানের পর সেখানে অন্তত দুই বছর দায়িত্ব পালন করলে আবার বদলির জন্য আবেদন করতে পারবেন।

এতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) সরকার নির্ধারিত সময়ে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক শূন্যপদের তালিকা অনলাইনে প্রকাশ করবে। পরে সেই শূন্যপদের বিপরীতে শিক্ষকদের কাছ থেকে আবেদন আহ্বান করা হবে।

নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানপ্রধান, সহকারী প্রধান এবং একই বিষয়ের শিক্ষকরা সমপদ শূন্য থাকা সাপেক্ষে প্রতি বছর সরকারের নির্ধারিত সময় অনুযায়ী বদলির আবেদন করতে পারবেন। একই সময়ের মধ্যে বদলির আদেশ জারি এবং নতুন কর্মস্থলে যোগদানের কার্যক্রমও সম্পন্ন করা হবে।

আবেদনের ক্ষেত্রে শিক্ষকরা প্রথমে নিজ জেলার শূন্যপদের জন্য আবেদন করতে পারবেন। তবে নিজ জেলায় শূন্যপদ না থাকলে নিজ বিভাগের অন্য যেকোনো জেলার খালি পদের বিপরীতে আবেদন করার সুযোগ থাকবে।

এ ছাড়া স্বামী বা স্ত্রীর নিজ জেলা কিংবা কর্মস্থল জেলায়ও বদলির আবেদন করতে পারবেন শিক্ষকরা। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্মস্থল সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত অথবা এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হতে হবে বলে নীতিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে।

সংশোধিত নীতিমালায় এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি প্রক্রিয়ার জন্য ১৭টি সাধারণ শর্ত যুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য একটি শর্ত হলো—একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে বছরে সর্বোচ্চ দুইজন শিক্ষক বদলির সুযোগ পাবেন। এ ক্ষেত্রে নারী শিক্ষক এবং জ্যেষ্ঠ শিক্ষকদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

একই বিষয়ের একাধিক শিক্ষককে একসঙ্গে বদলির সুযোগ দেওয়া হবে না বলেও স্পষ্ট করা হয়েছে।

আরও বলা হয়েছে, কোনো একটি পদের জন্য আবেদনকারীরা যদি একই উপজেলার কর্মরত শিক্ষক হন, তাহলে বর্তমান কর্মস্থলের উপজেলা কেন্দ্র থেকে কাঙ্ক্ষিত উপজেলা কেন্দ্রের দূরত্ব বিবেচনায় অগ্রাধিকার নির্ধারণ করা হবে।

/এসএন