গুজরাটের মোরবিতে এক চাঞ্চল্যকর ও ন্যক্কারজনক ঘটনার অভিযোগ সামনে এসেছে। ভাড়া বকেয়া পরিশোধের বিনিময়ে নিজের স্ত্রী ও অপ্রাপ্তবয়স্ক কন্যাকে ধর্ষণের অনুমতি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্বামী ও বাড়িওয়ালাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) তাদের আদালতে হাজির করা হয়। পরে আদালতের নির্দেশে দুজনকেই জেলে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী পরিবারটির বাড়ি সুরেন্দ্রনগর জেলায়। প্রায় ছয় মাস আগে জীবিকার সন্ধানে তারা মোরবিতে আসেন। সেখানে মাসিক ২ হাজার টাকা ভাড়ায় একটি বাসায় ওঠেন তারা। তবে আর্থিক সংকটের কারণে টানা চার মাস ধরে বাসা ভাড়া পরিশোধ করতে পারছিলেন না পরিবারটি।
অভিযোগ অনুযায়ী, বকেয়া ভাড়ার জন্য বাড়িওয়ালা চাপ দিতে শুরু করলে পরিস্থিতি ভয়াবহ মোড় নেয়। একপর্যায়ে পরিবারের পুরুষ সদস্য এমন একটি জঘন্য সমঝোতায় রাজি হন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে, যেখানে ভাড়ার বিনিময়ে তার স্ত্রী ও নাবালিকা কন্যাকে ধর্ষণের অনুমতি দেওয়া হয়।
অভিযোগে বলা হয়েছে, ওই সুযোগে বাড়িওয়ালা একাধিকবার মা ও মেয়েকে ধর্ষণ করেছেন।
ঘটনাটি প্রথমে ভুক্তভোগী নারীর শাশুড়ির নজরে আসে। বিষয়টি জানতে পেরে তিনি দ্রুত মোরবি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ পাওয়ার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত স্বামী ও বাড়িওয়ালাকে গ্রেপ্তার করে।
পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারা এবং শিশু যৌন নির্যাতন প্রতিরোধ আইন (পকসো) অনুযায়ী মামলা করা হয়েছে। পুরো ঘটনার তদন্ত চলছে।
এ ছাড়া নির্যাতিত নারী ও শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।
ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
/এসএন