• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:০৫ পিএম


পেজেশকিয়ানের সঙ্গে বৈঠকে রাজি ট্রাম্প

দি পালস বিডি অনলাইন ডেস্ক
আপডেট টাইম: ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৫:৪৭ পিএম

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে বৈঠকে বসার বিষয়ে ‘সম্ভবত রাজি’ বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে পেজেশকিয়ানের সঙ্গে নিউইয়র্কে বৈঠক করবেন কি না জানতে চাওয়া হলে ট্রাম্প জানান, এ ধরনের বৈঠকে তিনি ‘সম্ভবত রাজি’ থাকবেন।সম্ভাব্য এই বৈঠকের সময়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, প্রায় সাত মাস ধরে চলা যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধের অবসানে তেহরান ওয়াশিংটনের কাছে কয়েকটি শর্ত দিয়েছে। একই সময়ে ইরানের সামরিক নেতারা সতর্ক করে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে হামলা চালালে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে মার্কিন ঘাঁটি ও স্বার্থে পাল্টা হামলা চালানো হবে।জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের উচ্চপর্যায়ের সপ্তাহই দুই নেতার সম্ভাব্য বৈঠকের সবচেয়ে তাৎক্ষণিক সুযোগ তৈরি করেছে। এবারের সাধারণ বিতর্ক চলবে ২২ থেকে ২৮ সেপ্টেম্বর।পেজেশকিয়ান এই অধিবেশনে যোগ দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে। ট্রাম্প প্রশাসন এরই মধ্যে ইরানের প্রেসিডেন্ট ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচিসহ দেশটির একটি প্রতিনিধিদলকে সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে অংশ নিতে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি দিয়েছে।ফলে দুই নেতার মধ্যে বৈঠকের জন্য আলাদা কোনো শীর্ষ সম্মেলনের আয়োজন করার প্রয়োজন নাও হতে পারে। দুজনই একই সময়ে নিউইয়র্কে থাকবেন। আর যুদ্ধের মধ্যেই ওয়াশিংটন ও তেহরান বিভিন্ন মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে পরোক্ষ যোগাযোগ চালিয়ে যাচ্ছে।এ কারণে দুই দেশের নেতাদের মধ্যে সরাসরি মুখোমুখি যোগাযোগের একটি সুযোগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে তেহরান যখন আলোচনায় ফেরার জন্য সুনির্দিষ্ট কিছু শর্ত সামনে এনেছে, তখন এমন বৈঠকের সম্ভাবনা কূটনৈতিকভাবে আলাদা গুরুত্ব বহন করছে।আলোচনায় ফিরতে ইরানের শর্ত কীইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব মোহসেন রেজায়ি জানিয়েছেন, মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ওয়াশিংটনের কাছে সাতটি শর্ত পাঠিয়েছে তেহরান।এসব শর্তের মধ্যে রয়েছে সব ফ্রন্টে যুদ্ধের অবসান, বিদেশে আটকে থাকা ইরানের সম্পদ ছাড় এবং যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধের সমাপ্তি।ইরানের এই বার্তা যুক্তরাষ্ট্রের কাছে পৌঁছে দিতে কাতার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তুরস্কসহ আরও কয়েকটি দেশও দুই পক্ষের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগে যুক্ত রয়েছে।তবে এসব উদ্যোগের মধ্যেও যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

/বিএসএস