• ঢাকা
  • শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:০১ পিএম


যৌন নিপীড়ন ও মানহানি মামলায় ট্রাম্প হতে ৫৮ লাখ ডলার ক্ষতিপূরণ পাচ্ছেন লেখিকা ই. জ্যাঁ ক্যারল!

দি পালস বিডি অনলাইন ডেস্ক
আপডেট টাইম: ৯ জুলাই ২০২৬ ১:৫২ পিএম

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়ন ও ধর্ষণের অভিযোগ আনা লেখিকা ই. জ্যাঁ ক্যারল অবশেষে ক্ষতিপূরণের অর্থ পাওয়ার অনুমতি পেয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের একটি ফেডারেল আদালত ট্রাম্পের কাছ থেকে প্রায় ৫৮ লাখ ডলারের ক্ষতিপূরণ গ্রহণের অনুমতি দিয়েছেন তাকে।

২০২৩ সালের এক দেওয়ানি মামলায় জুরি ট্রাম্পকে ক্যারলের প্রতি যৌন নিপীড়ন ও মানহানির জন্য দায়ী বলে রায় দেন। পরে ম্যানহাটানের ইউএস ডিস্ট্রিক্ট জজ লুইস কাপলান ক্যারলকে প্রায় ৫৮ লাখ ডলার পরিশোধের নির্দেশ দেন। এর মধ্যে মূল ৫০ লাখ ডলারের ক্ষতিপূরণ এবং এর ওপর প্রযোজ্য সুদ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

রায়ের বিরুদ্ধে ট্রাম্প আপিল করায় ক্ষতিপূরণের অর্থ এতদিন এসক্রো হিসাবে সংরক্ষিত ছিল। আইনি প্রক্রিয়ায় এসক্রো বলতে এমন একটি ব্যবস্থা বোঝায়, যেখানে অর্থ তৃতীয় পক্ষের তত্ত্বাবধানে রাখা হয়।

গত ২৯ জুন যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট ট্রাম্পের আপিল শুনতে অস্বীকৃতি জানায়। আদালতের নয়জন বিচারপতির কেউই, এমনকি ট্রাম্প মনোনীত তিন বিচারপতিও, এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ভিন্নমত দেননি।

এরপর বিচারক লুইস কাপলান বলেন, এসক্রো চুক্তির শর্ত অনুযায়ী ক্যারল এখন ক্ষতিপূরণের অর্থ পাওয়ার অধিকারী। ২০১৯ সালের নভেম্বরে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে প্রথম মামলা দায়েরের সাড়ে ছয় বছরেরও বেশি সময় পর তিনি এই অর্থ পাচ্ছেন।

রায়ে বিচারক উল্লেখ করেন, বিবাদী বছরের পর বছর ধরে মামলাটি বিলম্বিত করেছেন। এখন ন্যায়বিচার নিশ্চিত করে আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী অর্থ পরিশোধের সময় এসেছে।

এদিকে ক্ষতিপূরণের অর্থ বিতরণ স্থগিত রাখতে ট্রাম্প ম্যানহাটানের ফেডারেল আপিল আদালতে জরুরি আবেদন করেন। তবে বুধবার রাতেই আদালত সেই আবেদন খারিজ করে দেয়।

ট্রাম্পের আইনজীবীরা তাৎক্ষণিকভাবে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ সম্পর্কে কোনো মন্তব্য করেননি। তবে তাদের এক মুখপাত্র এক বিবৃতিতে বলেন, মার্কিন জনগণ প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের পাশে রয়েছে এবং তারা ক্যারলকে ঘিরে ডেমোক্রেটদের অর্থায়নে পরিচালিত তথাকথিত ‘উইচ হান্ট’ ও প্রতারণামূলক অভিযোগের অবসান চায়।

অন্যদিকে ক্যারলের আইনজীবীরা আদালতে দাখিল করা নথিতে বলেন, মামলাটি দীর্ঘায়িত করার জন্য এটি ট্রাম্পের আরেকটি ব্যর্থ চেষ্টা।

/এএসএফ