বলিউড আমির খান এক সাক্ষাৎকারে এনডিটিভিকে বলেছিলেন, চলচ্চিত্রে পারিশ্রমিক নির্ধারণের মূল ভিত্তি হলো দর্শক টানার ক্ষমতা। তার মতে, নায়িকা বা নায়ক নয়—পরিশ্রম সবারই সমান, তাই সবারই ন্যায্য পারিশ্রমিক পাওয়া উচিত। এই বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি ইঙ্গিত দেন যে, লিঙ্গ নয় বরং বাণিজ্যিক সফলতাই ইন্ডাস্ট্রিতে আয়ের প্রধান মানদণ্ড।
বর্তমান প্রেক্ষাপটে দক্ষিণ ভারতীয় চলচ্চিত্র শিল্পে বেশ কয়েকজন অভিনেত্রী নিজেদের শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন। তারা শুধু অভিনয়েই নয়, ব্র্যান্ড ভ্যালু, বিজ্ঞাপন এবং ব্যবসায়িক উদ্যোগের মাধ্যমেও গড়ে তুলেছেন বিপুল সম্পদ। নিচে ২০২৬ সালের হিসাবে সবচেয়ে ধনী দক্ষিণী অভিনেত্রীদের তালিকা তুলে ধরা হলো—
১. নয়নতারা
দক্ষিণী ইন্ডাস্ট্রির শীর্ষ ধনী অভিনেত্রী হিসেবে আছেন নয়নতারা। বিভিন্ন সূত্র অনুযায়ী তার মোট সম্পদ ২০০ কোটি রুপিরও বেশি। প্রতি সিনেমার জন্য তিনি প্রায় ১০ কোটি রুপি এবং বিজ্ঞাপনের জন্য ৫ কোটি রুপি পারিশ্রমিক নেন। পাশাপাশি তার নিজস্ব প্রোডাকশন হাউস রয়েছে এবং চেন্নাই, মুম্বাই ও হায়দরাবাদে বিলাসবহুল সম্পত্তি রয়েছে। একটি ব্যক্তিগত জেট বিমানের মালিকানাও তার রয়েছে বলে জানা যায়।
২. আনুশকা শেঠি
‘বাহুবলী’ খ্যাত আনুশকা শেঠির নিট সম্পদ প্রায় ১৩৫ কোটি রুপি। সাম্প্রতিক কিছু সিনেমা মিশ্র সাফল্য পেলেও তিনি এখনো বড় বাজেটের প্রকল্পে যুক্ত আছেন এবং মালয়ালম ইন্ডাস্ট্রিতেও নতুন যাত্রা শুরু করছেন।
৩. সামান্থা রুথ প্রভু ও তামান্না ভাটিয়া
এই দুই জনপ্রিয় অভিনেত্রীর সম্পদের পরিমাণ প্রায় সমান—১১০ থেকে ১২০ কোটি রুপি। সামান্থা নতুন সিনেমা ও ওটিটি প্রজেক্টে ব্যস্ত, অন্যদিকে তামান্না বলিউড ও দক্ষিণ—দুই ইন্ডাস্ট্রিতেই সক্রিয়ভাবে কাজ করছেন।
৪. তৃষা কৃষ্ণান
দক্ষিণের অভিজ্ঞ অভিনেত্রী তৃষা কৃষ্ণানের সম্পদ ৮৫ থেকে ১০০ কোটি রুপির মধ্যে। তিনি এখনো নিয়মিত বড় বাজেটের সিনেমায় কাজ করে যাচ্ছেন।
৫. কাজল আগরওয়াল
তালিকার শেষ দিকে আছেন কাজল আগরওয়াল। তার মোট সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৮৫ কোটি রুপি বলে জানা গেছে।