• ঢাকা
  • রোববার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২৬ এএম


আজানের সুরে মুগ্ধ নানা পাটেকর, দিলেন ধর্মীয় সম্প্রীতির বার্তা

দি পালস বিডি অনলাইন ডেস্ক
আপডেট টাইম: ১০ অক্টোবর ২০২৬ ৬:১৫ পিএম

আজানের সুরে মুগ্ধ নানা পাটেকর, দিলেন ধর্মীয় সম্প্রীতির বার্তাধর্ম ও ভাষার ভিন্নতা যেন মানুষের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি না করে, বরং পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহনশীলতা ও সম্প্রীতির বন্ধন আরও দৃঢ় করে—এমন বার্তা দিয়েছেন বলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেতা নানা পাটেকর। তাঁর মতে, একে অপরের ধর্মীয় বিশ্বাসের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করতে শিখলে সমাজের অনেক বিরোধ ও সংঘাত দূর করা সম্ভব।২০২৪ সালের ২০ মার্চ ভারতের কর্ণাটক রাজ্যের ম্যাঙ্গালুরুতে ছয় দিনব্যাপী একটি নাট্য উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে এসব কথা বলেন নানা পাটেকর। সেন্ট অ্যালয়েশিয়াস কলেজে আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অভিনেতা প্রকাশ রাজও।অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় পাশের একটি মসজিদ থেকে ভেসে আসে আজানের ধ্বনি। সেই সুর শুনে নিজের শৈশবের স্মৃতিচারণ করেন নানা পাটেকর। তিনি জানান, ছোটবেলায় তাঁদের গ্রামেও ভোরের দিকে আজানের ধ্বনি শুনতেন। সেই পরিচিত শব্দ তাঁর মনে প্রশান্তি এনে দিত।নানা পাটেকরের মতে, ধর্মীয় বিশ্বাসের ভিন্নতা মানুষের মধ্যে বিরোধের কারণ হওয়া উচিত নয়। বরং অন্যের বিশ্বাসকে সম্মান করার মানসিকতা গড়ে তুলতে পারলে পারস্পরিক বোঝাপড়া বাড়বে এবং অনেক সংঘাতের অবসান ঘটবে। নিজের অভিনীত চলচ্চিত্রেও এ ধরনের ইতিবাচক বার্তা তুলে ধরার চেষ্টা করেন বলে জানান তিনি।ধর্মীয় সম্প্রীতির পাশাপাশি ভাষার প্রতিও শ্রদ্ধাশীল হওয়ার আহ্বান জানান এই অভিনেতা। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ভাষা মানুষকে পরস্পরের কাছাকাছি নিয়ে আসে এবং ঐক্য ও সংহতি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ভিন্ন ভাষা ও সংস্কৃতির মানুষের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া বাড়লে সামাজিক বিভেদ কমিয়ে আনা সহজ হয়।নাটক ও অভিনয়ের সামাজিক গুরুত্ব নিয়েও বক্তব্য দেন নানা পাটেকর। তাঁর মতে, মঞ্চ এমন একটি পরিসর, যেখানে সমাজের নানা অসংগতি ও সমস্যা নিয়ে মত প্রকাশ করা যায়। দায়িত্বশীল উপস্থাপনা এবং যথাযথ ভাষার ব্যবহারের মাধ্যমে নাটক মানুষের চিন্তাভাবনায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে।নানা পাটেকরের বক্তব্যে ধর্মীয় সহনশীলতা, ভাষার প্রতি শ্রদ্ধা এবং সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্য প্রতিষ্ঠার গুরুত্ব উঠে আসে। তাঁর এই বার্তা সমাজে পারস্পরিক সম্মান ও সম্প্রীতি জোরদার করার প্রয়োজনীয়তাকে নতুন করে সামনে এনেছে।

/বিএসএস