• ঢাকা
  • শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৫৬ পিএম


প্রাথমিক শিক্ষায় যুক্ত হচ্ছে সংগীত, নাট্যকলা, নৃত্যকলা ও চারু-কারুকলা

দি পালস বিডি অনলাইন ডেস্ক
আপডেট টাইম: ১০ জুন ২০২৬ ৪:৪৬ পিএম

প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা বৃদ্ধি এবং সার্বিক বিকাশ নিশ্চিত করতে পাঠ্যক্রমে বড় ধরনের পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ উদ্যোগের অংশ হিসেবে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষাক্রমে সংগীত, নাট্যকলা, নৃত্যকলা এবং চারু ও কারুকলা অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১০ জুন) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ এ সিদ্ধান্তের কথা জানান।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৭ সাল থেকে চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য ‘শিল্প ও সংস্কৃতি’ নামে নতুন একটি পাঠ্যবই চালু করা হবে। বইটির চারটি পৃথক অধ্যায়ে চারু ও কারুকলা, সংগীত, নৃত্যকলা এবং নাট্যকলার বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

এছাড়া ২০২৮ সালে নতুন কারিকুলামের আওতায় এসব বিষয়কে প্রাথমিক শিক্ষার পূর্ণাঙ্গ অংশ হিসেবে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা গেছে।

সরকারের শিক্ষা-দর্শনের অন্যতম লক্ষ্য শিক্ষার্থীদের বৈশ্বিক নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা এবং ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের জন্য দক্ষ করে প্রস্তুত করা। এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, শিল্প, সংস্কৃতি ও ক্রীড়াভিত্তিক শিক্ষা শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

তিনি আরও জানান, প্রাথমিক শিক্ষায় এসব বিষয় অন্তর্ভুক্ত হলে তরুণ প্রজন্মের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। কারণ দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে বিপুলসংখ্যক বিশেষায়িত শিক্ষক ও প্রশিক্ষকের প্রয়োজন হবে।

প্রতিমন্ত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, আগামী পাঁচ বছরে এই খাতে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ হাজার নতুন কর্মসংস্থান তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে। সংগীত, নৃত্যকলা, চারুকলা ও নাট্যকলায় ডিগ্রিধারী তরুণ-তরুণীদের জন্য এটি একটি উল্লেখযোগ্য সুযোগ হয়ে উঠতে পারে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে আলোচনা চলছে বলেও জানান তিনি। সংশ্লিষ্ট বিভাগের শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে নিয়োগের সুযোগ তৈরি করতে তাদের পাঠ্যক্রমে শিক্ষকতা-সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ বা প্রস্তুতিমূলক মডিউল যুক্ত করার বিষয়েও সরকার কাজ করছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, এ সিদ্ধান্তের ফলে প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় সৃজনশীলতার বিকাশ আরও জোরদার হবে এবং দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা ঘটবে।

/এসএন