বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রথম প্রস্তাবিত বাজেটে ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে আন্দোলনে আহত জুলাই যোদ্ধাদের জন্য আর্থিক সহায়তার সুনির্দিষ্ট কর্মসূচির কথাও তুলে ধরা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতার শুরুতেই অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, দেড় দশকের ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ নতুন করে গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু করেছে।বাজেট বক্তৃতায় তিনি উল্লেখ করেন, গত দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে চলা ফ্যাসিবাদী শাসনের বিরুদ্ধে দেশের মানুষের দীর্ঘ সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছে বিএনপি।
তিনি বলেন, ২০১৬ সালের ভিশন-২০৩০, ২০২২ সালের রাষ্ট্র মেরামতের ২৭ দফা এবং ২০২৩ সালের যুগপৎ আন্দোলনের ৩১ দফার ভিত্তিতে বিএনপির নেতৃত্বে যে আন্দোলন গড়ে উঠেছিল, সেটিই ফ্যাসিবাদবিরোধী গণঅভ্যুত্থানের ভিত্তি তৈরি করে।অর্থমন্ত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, সেই ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়েই সংঘটিত হয়েছে ২০২৪ সালের ঐতিহাসিক ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান।
তিনি বলেন, বিএনপি গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে আরও বিস্তৃত প্রস্তাব জুলাই জাতীয় সনদে উপস্থাপন করেছে এবং দলটি যে জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষর করেছে, তা অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করা হবে।বাজেট বক্তৃতার বিভিন্ন অংশে ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার আন্দোলনের প্রসঙ্গ উঠে আসে।
পাশাপাশি আন্দোলনে আহতদের পুনর্বাসন ও আর্থিক সহায়তার বিষয়েও সরকারের পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করা হয়।নতুন সরকারের প্রথম বাজেটেই জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে তুলে ধরা রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
/বিএসএস