• ঢাকা
  • শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০৫ এএম


রাজশাহীতে ২ হাজার ইয়াবাসহ স্কুলশিক্ষক ও তাঁর স্ত্রী আটক

দি পালস বিডি অনলাইন ডেস্ক
আপডেট টাইম: ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ১০:৫৩ পিএম

রাজশাহীতে ২ হাজার ইয়াবাসহ স্কুলশিক্ষক ও তাঁর স্ত্রী আটক

রাজশাহীতে দুই হাজার ইয়াবা ট্যাবলেটসহ এক স্কুলশিক্ষক ও তাঁর স্ত্রীকে আটক করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। বুধবার (১৪ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে রাজশাহী মহানগরীর কাশিয়াডাঙ্গা থানার হড়গ্রাম এলাকায় হাইটেক পার্কসংলগ্ন সড়কে অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়। এ সময় একটি মোটরসাইকেল ও একটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।

আটক মো. আল আমিনের বয়স ৪৩ বছর। তিনি রাজশাহী সরকারি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের সামাজিক বিজ্ঞান বিভাগের সহকারী শিক্ষক। তাঁর স্ত্রী (৩৮) একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা বলে জানিয়েছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।

ধাওয়া করে আটক, উদ্ধার দুই হাজার ইয়াবা

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মেহেদী হাসান বলেন, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এ অভিযান চালানো হয়। বিপুল পরিমাণ ইয়াবা পাচারের তথ্য পাওয়ার পর নগরীর বিভিন্ন পয়েন্টে নজরদারি বাড়ানো হয় এবং চেকপোস্টের মতো ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

তিনি জানান, একপর্যায়ে একটি মোটরসাইকেলকে থামার সংকেত দেওয়া হলে চালক তা অমান্য করে চলে যান। পরে ধাওয়া করে তাঁকে আটক করা হয়। ওই মোটরসাইকেল থেকে দুই হাজার ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে।

মেহেদী হাসান আরও বলেন, আটক ব্যক্তি রাজশাহী সরকারি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক। জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, তাঁর স্ত্রীও একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা। এ ঘটনায় তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। পরে আদালতের মাধ্যমে তাঁদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীর বক্তব্য

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী মো. পারভেজ বলেন, রাতে তিনি ঘটনাটি নিজের চোখে দেখেছেন। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সদস্যরা এসে ওই ব্যক্তিকে আটক করেন।

পারভেজের দাবি, এ সময় মোটরসাইকেলে থাকা ওই শিক্ষকের স্ত্রীর কাছে একটি ব্যাগে ইয়াবা দেখতে পান তিনি।

আটকের ঘটনায় বিস্মিত অধ্যক্ষ

শিক্ষকের আটকের ঘটনায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন রাজশাহী সরকারি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মো. শামসুল হক।

তিনি বলেন, মোহাম্মদ আল আমিন তাঁদের প্রতিষ্ঠানের সামাজিক বিজ্ঞান বিভাগের সহকারী শিক্ষক। তাঁর বিরুদ্ধে এমন ঘটনার কথা তিনি প্রথমবারের মতো শুনেছেন। বিষয়টি তাঁর, প্রতিষ্ঠানের এবং সমাজের সবার জন্যই অত্যন্ত দুঃখজনক।

/এএসএফ