• ঢাকা
  • শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৩৮ এএম


চলতি বছরে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন প্রায় ১,৩০০ মানুষ

দি পালস বিডি অনলাইন ডেস্ক
আপডেট টাইম: ১৩ জুন ২০২৬ ১:১৭ এএম

চলতি বছরের প্রথম পাঁচ মাসে ইউরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ) অনিয়মিত সীমান্ত অনুপ্রবেশের সংখ্যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ৪০ শতাংশ কমেছে। শুক্রবার (১২ জুন) প্রকাশিত প্রাথমিক তথ্যে এ তথ্য জানিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সীমান্ত ও উপকূলরক্ষী সংস্থা ফ্রন্টেক্স।

সংস্থাটির হিসাব অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে মে মাস পর্যন্ত প্রায় ৩৯ হাজার অনিয়মিত অনুপ্রবেশের ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে। ফ্রন্টেক্স জানিয়েছে, মূল ট্রানজিট ও যেসব দেশ থেকে অভিবাসীরা যাত্রা শুরু করেন, সেসব দেশের প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা এবং অংশীদার দেশগুলোর সঙ্গে সহযোগিতার ফলেই এ সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।

এমন সময় এই পরিসংখ্যান প্রকাশ করা হলো, যখন শুক্রবার থেকেই আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বহুল আলোচিত নতুন অভিবাসন ও আশ্রয়নীতি। নতুন আইনের আওতায় জোটের বহিঃসীমান্তে সমন্বিত ও মানসম্মত স্ক্রিনিং বা যাচাইকরণ ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে।

ফ্রন্টেক্সের নির্বাহী পরিচালক হ্যান্স লেইটেনস নতুন নিয়মকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এর মাধ্যমে ইইউ সীমান্তে আগত সবার জন্য একই মানদণ্ড প্রয়োগ করা হবে। এর ফলে সদস্য ২৭টি দেশের ভিন্ন ভিন্ন কার্যপদ্ধতি একটি অভিন্ন কাঠামোর আওতায় আসবে।

ফ্রন্টেক্সের তথ্য অনুযায়ী, ইউরোপে প্রবেশের জন্য সেন্ট্রাল ও ইস্টার্ন মেডিটেরেনিয়ান বা মধ্য ও পূর্ব ভূমধ্যসাগরীয় রুট এখনো সবচেয়ে ব্যস্ত পথ হিসেবে রয়েছে। অন্যদিকে পশ্চিম আফ্রিকান রুটে অনুপ্রবেশের হার সবচেয়ে বেশি কমেছে, যা প্রায় ৭১ শতাংশ। তবে এর বিপরীতে ওয়েস্টার্ন মেডিটেরেনিয়ান বা পশ্চিম ভূমধ্যসাগরীয় রুটে অনুপ্রবেশ ৪৬ শতাংশ বেড়েছে। এর প্রধান কারণ হিসেবে আলজেরিয়া থেকে অভিবাসীদের সমুদ্রপথে যাত্রা বৃদ্ধি পাওয়াকে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিবাসন প্রবাহের এই পরিবর্তনের মধ্যেও ভূমধ্যসাগরে প্রাণহানির ঘটনা এখনো বড় উদ্বেগের বিষয় হয়ে রয়েছে। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) তথ্যের বরাত দিয়ে ফ্রন্টেক্স জানিয়েছে, চলতি বছর এখন পর্যন্ত ভূমধ্যসাগর পাড়ি দেওয়ার সময় প্রায় এক হাজার ৩০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছে।