• ঢাকা
  • রোববার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১২:১২ এএম


কিডনিতে পাথর কেন হয়, কীভাবে কমাবেন ঝুঁকি

দি পালস বিডি অনলাইন ডেস্ক
আপডেট টাইম: ২৯ এপ্রিল ২০২৬ ১১:৫২ এএম

কিডনি পাথর বা মূত্রনালীর পাথরজনিত সমস্যায় অনেকেই ভোগেন। হঠাৎ তীব্র পেটব্যথা, প্রস্রাবে জ্বালা বা কখনও রক্ত—এসব লক্ষণ দেখা দিলে অনেক সময় বোঝা যায় শরীরে পাথর তৈরি হয়েছে। মূলত এটি খনিজ ও লবণের জমাট কণা, যা ধীরে ধীরে বড় হয়ে সমস্যা তৈরি করে।

কীভাবে পাথর তৈরি হয়

মানুষের প্রস্রাবে স্বাভাবিকভাবেই বিভিন্ন খনিজ ও বর্জ্য পদার্থ থাকে। সাধারণত এগুলো তরলের সঙ্গে বের হয়ে যায়। কিন্তু কোনো কারণে এসব পদার্থের ঘনত্ব বেড়ে গেলে বা প্রস্রাব কম হলে সেগুলো জমে স্ফটিক তৈরি করে, যা সময়ের সঙ্গে পাথরে পরিণত হয়।

প্রধান কারণগুলো

পানি কম পান করা: শরীরে পানি কম থাকলে প্রস্রাব ঘন হয়ে যায়, ফলে খনিজ জমাট বাঁধে।

খাদ্যাভ্যাস: অতিরিক্ত লবণ, মাংস বা অক্সালেটসমৃদ্ধ খাবার (যেমন পালং শাক, বাদাম) ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

বংশগত কারণ: পরিবারে কারও এ সমস্যা থাকলে অন্যদের ঝুঁকিও বেশি।

অন্যান্য রোগ: স্থূলতা, ডায়াবেটিস বা হরমোনজনিত সমস্যা পাথর তৈরিতে ভূমিকা রাখে।

ওষুধ: কিছু ওষুধ দীর্ঘদিন খেলে মূত্রে খনিজের ভারসাম্য বদলে যেতে পারে।

প্রস্রাব চেপে রাখা: এটি মূত্রনালীর স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত করে ঝুঁকি বাড়ায়।

লক্ষণ কী

ছোট পাথর অনেক সময় টের পাওয়া যায় না। তবে বড় হলে তীব্র ব্যথা, প্রস্রাবে জ্বালা, বমিভাব বা রক্ত দেখা যেতে পারে।

কীভাবে ঝুঁকি কমাবেন

বিশেষজ্ঞদের মতে—

পর্যাপ্ত পানি পান করা

সুষম খাদ্যাভ্যাস বজায় রাখা

নিয়মিত শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকা

প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া

শেষ কথা

কিডনির পাথর হঠাৎ তৈরি হয় না—ধীরে ধীরে গড়ে ওঠে। তাই প্রতিদিনের ছোট অভ্যাস যেমন বেশি পানি পান ও স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসই এই সমস্যার বড় প্রতিরোধ। শরীরের সংকেতগুলো সময়মতো বুঝতে পারলেই বড় জটিলতা এড়ানো সম্ভব।