• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ১২:০৬ এএম


স্ত্রীর প্র/তা/রণায় ৫১ লাখ টাকা খুইয়ে ঢাকায় রিকশা চালান মোস্তফা

দি পালস বিডি অনলাইন ডেস্ক
আপডেট টাইম: ৪ নভেম্বর ২০২৬ ৮:৩৮ পিএম

দীর্ঘ ১৩ বছর দুবাইয়ে প্রবাসজীবন কাটিয়ে প্রায় ৫১ লাখ টাকা উপার্জন করেছিলেন হাফেজ মোস্তফা ফরাজী। স্বপ্ন ছিল দেশে ফিরে পরিবার নিয়ে সুখে-শান্তিতে জীবন কাটাবেন। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের আশায় প্রবাসে কষ্ট করে উপার্জন করা অর্থ বিভিন্ন সময়ে স্ত্রীর কাছে পাঠিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই সঞ্চিত অর্থ হারিয়ে এখন ঢাকায় রিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করছেন বলে অভিযোগ করেছেন মোস্তফা।মঙ্গলবার সকালে রাজাপুর প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে নিজের জীবনের এমন দুর্দশার কথা তুলে ধরেন তিনি। মোস্তফা ফরাজী মঠবাড়িয়া উপজেলার পাথরঘাটা জ্ঞানপাড়া এলাকার আব্দুল বারেক ফরাজীর ছেলে। বিয়ের পর তিনি রাজাপুরে বসবাস শুরু করেন।সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মোস্তফা অভিযোগ করেন, দুবাইয়ে অবস্থানকালে বিভিন্ন সময়ে স্ত্রী জোলেখার কাছে প্রায় ৫১ লাখ টাকা পাঠিয়েছেন তিনি। এ ছাড়া স্বর্ণালংকারও স্ত্রীর কাছে রেখেছিলেন। কিন্তু তার অভিযোগ, এসব টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে স্ত্রী আংগারিয়া আলগি এলাকার মো. সাইফুলের সঙ্গে চলে গেছেন।অর্থ পাঠানোর অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে রাজাপুর পূবালী ব্যাংকের হিসাব ও লেনদেনের তথ্য নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করার দাবি জানিয়েছেন তিনি।মোস্তফা আরও অভিযোগ করেন, রাজাপুরে তার মালিকানাধীন ১৩ শতাংশ জমি ১২ লাখ টাকায় বিক্রির বিষয়ে কথাবার্তা হয়। জমির দলিল রেজিস্ট্রি সম্পন্ন হওয়ার পর তাকে ১০ লাখ টাকা দেওয়া হয়। এ নিয়ে বিরোধের একপর্যায়ে তার স্ত্রীসহ ১০ থেকে ১২ জন ব্যক্তি তার ওপর হামলা চালিয়ে মারধর করেন। এ সময় তার কাছ থেকে ১০ লাখ টাকা নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।সংবাদ সম্মেলনে নিজের উপার্জিত অর্থ ও ব্যাংক লেনদেনের নিরপেক্ষ তদন্ত, জমির মালিকানা ও দলিলপত্র যাচাই, হামলার ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান মোস্তফা।তবে মোস্তফার স্ত্রী জোলেখা তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমি রাগ করে তাকে তালাক দিয়েছি। তবে সে আগে বিয়ে করেছে, পরে আমি বিয়ে করেছি। আমি তার কোনো টাকা-পয়সা নিইনি।’

/বিএসএস