• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:১৩ এএম


চাপ দিয়ে পিটিআইয়ের লংমার্চ বন্ধ করা যাবে না: ইউসুফজাই

দি পালস বিডি অনলাইন ডেস্ক
আপডেট টাইম: ৭ অক্টোবর ২০২৬ ১১:১৪ পিএম

পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) লংমার্চ কোনো ধরনের বাহ্যিক চাপ প্রয়োগ করে বন্ধ করা যাবে না বলে জানিয়েছেন দলটির নেতা শওকত ইউসুফজাই। তিনি বলেছেন, এই কর্মসূচি শেষ হবে কি না, তা পুরোপুরি নির্ভর করছে আদিয়ালা কারাগারে বন্দি পিটিআইয়ের প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খানের সিদ্ধান্তের ওপর।

বুধবার (৭ অক্টোবর) দেশটির গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন শওকত ইউসুফজাই।

ইমরান খানের মুক্তি, তার সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ এবং পিটিআইয়ের অন্যান্য নেতা-কর্মীদের মুক্তিসহ বিভিন্ন দাবিতে লংমার্চ করছে দলটি। এই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে পিটিআই ও সরকারের মধ্যে একদিকে উত্তেজনা, অন্যদিকে আলোচনা চলছে।

প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে শওকত ইউসুফজাই বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী, গণমাধ্যমে আলোচনা-আলোচনা খেলা বন্ধ করুন। যদি আপনাদের ক্ষমতা থাকে, তাহলে আমাদের ন্যায্য দাবিগুলো মেনে নিন।’

তিনি আরও বলেন, ইমরান খানের সঙ্গে সাক্ষাতের ওপর যে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে, তা প্রত্যাহার করতে হবে। একই সঙ্গে তাকে হাসপাতালে স্থানান্তর এবং তার মামলাগুলোর শুনানি করার দাবিও জানান তিনি। এ ছাড়া ইমরান খানের বোনসহ কারাগারে বন্দি সব নারীকে মুক্তি দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ইউসুফজাই।

সোহাইল আফ্রিদিকে ঘিরে চলমান পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেন শওকত ইউসুফজাই। তার বিরুদ্ধে যে নেতিবাচক প্রচারণা চালানো হচ্ছে, সেটিকে অত্যন্ত দুঃখজনক ও উদ্বেগজনক বলে মন্তব্য করেন তিনি।

ইউসুফজাই বলেন, ম্যান্ডেট কেড়ে নেওয়া হলে সন্ত্রাসবাদ নির্মূল হবে না। সন্ত্রাসবাদ বন্ধ করতে হলে সব অংশীজনকে নিয়ে আলোচনায় বসতে হবে।

তিনি বলেন, সন্ত্রাসবাদ নির্মূলের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারকে প্রাদেশিক সরকারের সঙ্গে মিলে সব অংশীজনকে আলোচনায় বসাতে হবে এবং সমস্যার সমাধান করতে হবে। সোহাইল আফ্রিদিকে অগণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হলে উপজাতীয় জনগোষ্ঠীর মধ্যেও উদ্বেগ তৈরি হবে। তার মতে, এটি কোনোভাবেই দেশের স্বার্থে হবে না এবং এর মাধ্যমে সন্ত্রাসবাদও কমবে না।

এদিকে আলোচনার বিষয়ে পিটিআই নেতা ব্যারিস্টার গওহর বলেন, প্রধানমন্ত্রী শর্তসাপেক্ষে আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছেন। তার অভিযোগ, সরকার তাদের ওপর বিভিন্ন ধরনের বিধিনিষেধ আরোপ করছে।

গওহর বলেন, রাজনৈতিক ব্যক্তিরা সাধারণত কোনো শর্ত ছাড়াই আলোচনায় বসেন। পিটিআই আলোচনায় বসতে অস্বীকার করেনি, তবে আলোচনা অবশ্যই শর্তহীন হতে হবে।

তিনি আরও বলেন, সরকার বাইরে এসে ভেতরের বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করেছে। সংবাদ সম্মেলনে যতটা সময় ব্যয় করা হয়েছে, তার অর্ধেক সময়ও যদি আলোচনায় দেওয়া হতো, তাহলে সমস্যার সমাধান হয়ে যেত।

গওহর জানান, সরকারের কয়েকজন সদস্যের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ রয়েছে। আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান বের করার চেষ্টা চলছে বলেও জানান তিনি।

/এসএন