• ঢাকা
  • শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৩০ পিএম


২০২৭ সালের রমজান ও ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ জানা গেল

দি পালস বিডি অনলাইন ডেস্ক
আপডেট টাইম: ১৬ আগস্ট ২০২৬ ৩:৪৯ পিএম

২০২৬ সাল চলমান থাকলেও এরই মধ্যে ২০২৭ সালের পবিত্র রমজান মাস ও ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য সময় নিয়ে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। জ্যোতির্বিজ্ঞানের হিসাব ও গণনাভিত্তিক বিশ্লেষণের ওপর নির্ভর করে আগামী বছরের রমজান ও ঈদের সম্ভাব্য তারিখের একটি পূর্বাভাস সামনে এসেছে।

জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৭ সালে হিজরি ১৪৪৮ সনের পবিত্র রমজান মাস মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে ৮ ফেব্রুয়ারি, সোমবার থেকে শুরু হতে পারে। তবে রমজান শুরুর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নতুন চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় এই তারিখকে এখনই নিশ্চিত বলে ধরা হচ্ছে না।

সৌদি আরবের হিজরি ক্যালেন্ডারভিত্তিক তথ্য অনুযায়ী, আরব দেশগুলোতে ৮ ফেব্রুয়ারিকে রমজানের সম্ভাব্য প্রথম দিন হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

কবে দেখা যেতে পারে রমজানের চাঁদ

গাণিতিক হিসাব অনুযায়ী, ১৪৪৮ হিজরি সনের শাবান মাসের ২৯ তারিখ পড়তে পারে ৬ ফেব্রুয়ারি, শনিবার। ওই দিন রমজান মাসের নতুন চাঁদ দেখার সম্ভাব্য পর্যবেক্ষণ হওয়ার কথা রয়েছে।

তবে হিসাব অনুযায়ী, শাবান মাস ৩০ দিন পূর্ণ হওয়ারও সম্ভাবনা রয়েছে। এমনটি হলে ৭ ফেব্রুয়ারি, রোববার শাবান মাস শেষ হবে এবং পরদিন ৮ ফেব্রুয়ারি, সোমবার থেকে পবিত্র রমজান মাস শুরু হতে পারে।

চাঁদ দেখা গেলে কিংবা স্থানীয়ভাবে চাঁদ দেখার প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট দেশের ধর্মীয় কর্তৃপক্ষ রমজান শুরুর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেবে।

২০২৭ সালে ঈদুল ফিতর কবে হতে পারে

রমজান মাস শেষ হওয়ার পর মুসলিমদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে। প্রকাশিত জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৭ সালের রমজান মাস ২৯ দিনের হতে পারে। সে হিসাবে ৮ মার্চ, সোমবার রমজানের শেষ দিন এবং এর পরদিন ৯ মার্চ, মঙ্গলবার ঈদুল ফিতর পালিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যের সম্ভাব্য হিসাব অনুযায়ী, ২০২৭ সালে রমজানের সম্ভাব্য প্রথম দিন ৮ ফেব্রুয়ারি, সোমবার; সম্ভাব্য শেষ দিন ৮ মার্চ, সোমবার এবং ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ ৯ মার্চ, মঙ্গলবার।

বাংলাদেশে কবে শুরু হতে পারে রমজান

বাংলাদেশে রমজান ও ঈদের তারিখ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে একই দিনে হবে—এমন নিশ্চয়তা নেই। ভৌগোলিক অবস্থান এবং স্থানীয়ভাবে চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে বাংলাদেশে তারিখ এক দিন এগিয়ে বা পিছিয়ে যেতে পারে।

এ কারণে ৮ ফেব্রুয়ারি রমজান শুরু এবং ৯ মার্চ ঈদুল ফিতর পালিত হওয়ার বিষয়টি আপাতত সম্ভাব্য তারিখ হিসেবেই দেখা হচ্ছে। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে স্থানীয়ভাবে চাঁদ দেখা এবং সংশ্লিষ্ট ধর্মীয় কর্তৃপক্ষের ঘোষণার পরই চূড়ান্ত তারিখ নির্ধারিত হবে।

হিজরি ক্যালেন্ডারের মাসগুলো চাঁদের আবর্তনের সঙ্গে সম্পর্কিত। ফলে আগাম জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাব করা সম্ভব হলেও বাস্তবে রমজান ও ঈদের তারিখ নির্ধারণের ক্ষেত্রে চাঁদ দেখা গুরুত্বপূর্ণ। সময় ঘনিয়ে এলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক ঘোষণাই চূড়ান্ত হিসেবে বিবেচিত হবে।

/এসএন