• ঢাকা
  • শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৫৪ পিএম


পাকিস্তানে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উদযাপন, শহীদদের স্মরণে বিশেষ দোয়া

দি পালস বিডি অনলাইন ডেস্ক
আপডেট টাইম: ৫ আগস্ট ২০২৬ ৯:১৩ পিএম

পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশনে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬। দিবসটি উপলক্ষে বুধবার (৫ আগস্ট) দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

সকালে বাংলাদেশ হাইকমিশনের চ্যান্সেরি কমপ্লেক্স প্রাঙ্গণে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন পাকিস্তানে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খান। এ সময় হাইকমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারী, তাদের পরিবারের সদস্য, বাংলাদেশি কমিউনিটির প্রতিনিধি এবং পাকিস্তানের বিভিন্ন নাগরিক উপস্থিত ছিলেন।

পরে হাইকমিশনের সম্মেলন কক্ষে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে আলোচনা অনুষ্ঠান শুরু হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতেই জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের স্মরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

এ সময় দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দেওয়া বাণী পাঠ করা হয়। এরপর জুলাই গণঅভ্যুত্থানভিত্তিক একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

আলোচনা পর্বে বক্তব্য দেন হাইকমিশনের কর্মকর্তারা, সার্ক চেম্বার্স উইমেন এন্টারপ্রেনার কাউন্সিলের চেয়ারপারসন হিনা মনসাব খান এবং রাষ্ট্রদূত সালাউদ্দিন চৌধুরী। বক্তারা জুলাই পুনর্জাগরণে ছাত্র-জনতার অবদানের কথা তুলে ধরে বলেন, জনগণের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা, বৈষম্যমুক্ত সমাজ গঠন এবং সামাজিক সুবিচার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটি ন্যায়ভিত্তিক, স্বনির্ভর, গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলাই শহীদদের প্রতি প্রকৃত শ্রদ্ধা জানানোর অন্যতম উপায়।

অনুষ্ঠানে হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খান বলেন, “স্বাধীনতাপ্রিয় ও গণতন্ত্রকামী মানুষের জন্য ৫ আগস্ট গৌরবের দিন, বিজয়ের দিন, গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার দিন।” তিনি রাষ্ট্রের সব প্রতিষ্ঠানকে বৈষম্যমুক্তভাবে গড়ে তোলার জন্য সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান এবং গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে আরও সুসংহত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

আলোচনা অনুষ্ঠান শেষে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ছাত্র-জনতার আত্মার মাগফিরাত এবং দেশের অব্যাহত শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

/এসএন