• ঢাকা
  • শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:১৩ পিএম


ইরানকে আলাচনার টেবিলে ফিরাতে পাকিস্তান ও কাতারের দিকে তাকিয়ে যুক্তরাষ্ট্র!

দি পালস বিডি অনলাইন ডেস্ক
আপডেট টাইম: ৩ আগস্ট ২০২৬ ৯:৪৭ পিএম

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্থগিত থাকা প্রত্যক্ষ আলোচনা পুনরায় শুরুর বিষয়ে এখনো কোনো তারিখ বা স্থান চূড়ান্ত হয়নি। তবে পাকিস্তান সরকারের নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, নতুন সময়সূচি নির্ধারণে ইসলামাবাদ ও দোহা মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ওয়াশিংটন ও তেহরানের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ বজায় রেখেছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সামরিক হামলা স্থগিত রেখে আলোচনায় ফেরার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তবে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এসমাইল বাঘাই জানিয়েছেন, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তেহরানের কোনো পর্যায়ভিত্তিক আলোচনা চলছে না।

কূটনৈতিক সূত্রগুলোর মতে, সম্ভাব্য বৈঠকের স্থান হিসেবে ইসলামাবাদ ও দোহাকে বিবেচনা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে পরিস্থিতি পর্যালোচনায় পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নকভি আগামী এক বা দুই দিনের মধ্যে তেহরান সফর করতে পারেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, দুই পক্ষের মধ্যে মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ইতিবাচক বার্তা আদান-প্রদান অব্যাহত রয়েছে। ফলে চলতি সপ্তাহেই আলোচনা পুনরায় শুরুর বিষয়ে অগ্রগতি হতে পারে বলে আশাবাদী কূটনৈতিক মহল।

গত ১৭ জুন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান ‘ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারক’-এ স্বাক্ষর করেছিল। ওই সমঝোতা অনুযায়ী, ৬০ দিনের মধ্যে পরমাণু কর্মসূচিসহ বিভিন্ন জটিল বিষয়ে স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার কথা ছিল। তবে সাম্প্রতিক সংঘাতের কারণে সেই প্রক্রিয়া অনিশ্চয়তার মুখে পড়ে।

সূত্র জানায়, প্রত্যক্ষ বৈঠকের আগে প্রথম ধাপে মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে পরোক্ষ আলোচনা শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ের আলোচনায় পরমাণু কর্মসূচি অন্তর্ভুক্ত থাকবে না।

আলোচনার প্রথম লক্ষ্য হবে যুদ্ধবিরতি আরও কার্যকর করা এবং গত ৯ জুলাইয়ের আগের পরিস্থিতিতে ফিরে যাওয়া। পাকিস্তান ও কাতারের প্রস্তাবিত উত্তেজনা প্রশমন পরিকল্পনা অনুযায়ী, ইরান হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করবে। এর বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্র ইরানি বন্দরগুলোর ওপর আরোপিত অবরোধ শিথিল করবে এবং চূড়ান্ত সমঝোতা না হওয়া পর্যন্ত জাহাজ চলাচলে কোনো ট্রানজিট ফি নেওয়া হবে না।

এ ছাড়া দক্ষিণ লেবাননে কার্যকর যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নের বিষয়টিও সম্ভাব্য আলোচনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এজেন্ডা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

/এএসএফ