• ঢাকা
  • বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫৯ এএম


থানা থেকে বের হয়েই আবার আন্দোলনে, দিল্লিতে শিক্ষার্থীদের অনড় অবস্থান

দি পালস বিডি অনলাইন ডেস্ক
আপডেট টাইম: ২২ জুলাই ২০২৬ ৪:৫৩ পিএম

দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী কৃষ্ণার স্বপ্ন উচ্চশিক্ষা শেষে অধ্যাপক হওয়া। তবে সেই স্বপ্নপথের মাঝেই আন্দোলনে অংশ নিতে এসে তাঁকে নয়াদিল্লির যন্তর মন্তর এলাকা থেকে আটক করে পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। কৃষ্ণার অভিযোগ, আটকের সময় কয়েকজন নারী পুলিশ সদস্য তাঁর চুল ধরে টানাহেঁচড়া করেন।প্রশ্নপত্র ফাঁস, শিক্ষাক্ষেত্রে দুর্নীতির অভিযোগ এবং শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে গত কয়েক দিন ধরে নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন চলছে। ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ব্যানারে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নিচ্ছেন।

গত সোমবার আন্দোলনকারীরা যন্তর মন্তর থেকে রাইসিনা মার্গ হয়ে লোকসভা ভবনের উদ্দেশে মিছিল বের করলে দিল্লি পুলিশ তাদের অগ্রযাত্রায় বাধা দেয়। পরে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করা হয়। এ সময় বেশ কয়েকজন আন্দোলনকারীকে আটক করে পুলিশ।আটকের ২৪ ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মুক্তি পাওয়া অনেক আন্দোলনকারী আবার যন্তর মন্তরে ফিরে আসেন। তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ থানা থেকে ছাড়া পেয়েই সরাসরি আন্দোলনস্থলে যোগ দেন।

আবার অনেকে আগের রাত থানায় কাটানোর পর আন্দোলনে ফিরে আসেন।তাঁদের একজন ২১ বছর বয়সী সমীর দোরওয়াল। তলস্তয় রোড এলাকা থেকে আটক হওয়ার পর তাঁকে মন্দির মার্গ থানায় রাখা হয়। মুক্তি পাওয়ার পর তিনি সরাসরি যন্তর মন্তরে ফিরে এসে পুনরায় আন্দোলনে অংশ নেন। সমীর দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ওপেন লার্নিংয়ের শিক্ষার্থী।সমীর বলেন, পুলিশের ব্যারিকেড, লাঠিচার্জ কিংবা কাঁদানে গ্যাসের মুখোমুখি হওয়ার চেয়েও এখন তাঁর সবচেয়ে বড় উদ্বেগ পরিবারকে পুরো ঘটনার ব্যাখ্যা দেওয়া। বিশেষ করে মা–বাবার সামনে গিয়ে কীভাবে সবকিছু তুলে ধরবেন, সেই চিন্তাই তাঁকে বেশি ভাবাচ্ছে।কৃষ্ণার চুল ধরে টানাহেঁচড়া করার অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্তৃপক্ষের তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

/বিএসএস