দুই সেতু পরিচিতি পেয়েছে আর্জেন্টিনা সেতু ও ব্রাজিল সেতু নামে।
ফুটবল বিশ্বকাপকে ঘিরে আবারও উন্মাদনায় মেতে উঠছে দেশ। বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফুটবল আসর শুরুর এক মাস আগে থেকেই পাহাড়ি জেলা রাঙামাটিতে শুরু হয়েছে উৎসবের প্রস্তুতি। কাপ্তাই হ্রদের ওপর নির্মিত দুটি সেতু এখন রূপ নিয়েছে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা সমর্থকদের আবেগের প্রতীকে।
রাঙামাটি সদরের আসামবস্তি এলাকায় পাশাপাশি থাকা দুটি সেতুর স্থানীয় নামই হয়ে গেছে ‘ব্রাজিল সেতু’ ও ‘আর্জেন্টিনা সেতু’। একটিতে হলুদ-সবুজ রঙের আধিপত্য, অন্যটিতে আকাশি-সাদা সাজ। বিশ্বকাপ ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে পতাকা, ব্যানার ও রঙে সেজে উঠছে পুরো এলাকা।
আগামী ১১ জুন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোয় শুরু হচ্ছে ফুটবল বিশ্বকাপের ২৩তম আসর। মাঠের লড়াই থেকে হাজার মাইল দূরে থেকেও বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীদের উচ্ছ্বাস যেন কম নয়। সন্ধ্যা নামলেই দুই সেতুতে জমে উঠছে আড্ডা, তর্ক-বিতর্ক আর প্রিয় দলকে নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী।
স্থানীয় বাসিন্দা ও আর্জেন্টিনা সমর্থক হেলাল বলেন, ২০২২ সালে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ জয় এখনো তার জীবনের অন্যতম আনন্দের স্মৃতি। এবারও মেসিদের শিরোপা জয়ের আশা করছেন তিনি।
অন্যদিকে এক ব্রাজিল সমর্থক জানান, দীর্ঘদিন শিরোপাহীন থাকলেও ব্রাজিলকে ঘিরে সমর্থকদের আশা এখনো অটুট। নতুন করে রঙ করা ব্রাজিল সেতু যেন সেই প্রত্যাশারই প্রতীক।
বিশ্বকাপ এলেই পুরো এলাকা ভাগ হয়ে যায় দুই রঙে—হলুদ-সবুজ ও আকাশি-সাদা। কাপ্তাইয়ের এই দুই সেতু এখন শুধু যোগাযোগের মাধ্যম নয়, বরং ফুটবল ভালোবাসা ও আবেগের এক অনন্য প্রতীক হয়ে উঠেছে।
/এইচটি