• ঢাকা
  • বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২৬, ১০:০৭ পিএম


বক্তব্য শুরুতেই ‘ভুয়া, ভুয়া’ স্লোগান, যা বললেন রাশেদ খাঁন!

দি পালস বিডি অনলাইন ডেস্ক
আপডেট টাইম: ৫ আগস্ট ২০২৬ ৮:৪৬ পিএম

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ উপলক্ষে রাজধানীর চীন-মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রীয় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে ‘ভুয়া, ভুয়া’ স্লোগানের মুখে পড়েন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। তবে তিনি এ প্রতিক্রিয়াকে গণতান্ত্রিক চর্চার অংশ হিসেবে স্বাগত জানান।

বুধবার (৫ আগস্ট) মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আয়োজিত আলোচনা সভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্যের শুরুতেই উপস্থিত একাংশের স্লোগানের মুখে পড়ে রাশেদ খাঁন বলেন, ‘আমার বক্তব্যের শুরুতেই আপনারা প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন। এটাকে আমি স্বাগত জানাই। গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে আপনাদের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করার স্বাধীনতাই আমাদের সবচেয়ে বড় অর্জন। আজ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির উপস্থিতিতে জুলাইযোদ্ধা ও শহীদদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির লক্ষ্যে এই আয়োজন করা হয়েছে।’

পরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি অনুষ্ঠানের ঘটনার ব্যাখ্যা দেন। সেখানে তিনি জানান, অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে তিনি দেখেন, প্রদর্শিত ডকুমেন্টারি নিয়ে এনসিপির নেতাকর্মীরা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন। বিষয়টি সমাধানের লক্ষ্যে তিনি এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেনের সঙ্গে আলোচনা করেন।

রাশেদ খাঁন জানান, পরবর্তীতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করা হয়। ডকুমেন্টারিতে থাকা ভুলের জন্য মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেন এবং তা সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন।

তিনি আরও জানান, আলোচনা শেষে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরোয়ার এবং এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেনকে মঞ্চে বক্তব্য দিয়ে তাঁদের অভিযোগ ও ক্ষোভ প্রকাশের সুযোগ দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়।

রাশেদ খাঁনের ভাষ্য অনুযায়ী, তাঁদের বক্তব্যের সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করা হয়, যাতে কোনো ধরনের বিরূপ প্রতিক্রিয়ায় তাঁরা বিব্রত না হন। তিনি বলেন, ‘তাঁদের বক্তব্যের সময় আমরা পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেছি। তাঁরা তাঁদের বক্তব্য নির্বিঘ্নে উপস্থাপন করতে পেরেছেন।’

তিনি আরও বলেন, পরে তাঁর বক্তব্যের সময় জামায়াত ও এনসিপির কিছু নেতাকর্মী প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন, যা তিনি ইতিবাচকভাবেই গ্রহণ করেছেন।

রাশেদ খাঁন বলেন, ‘আমি তাঁদের এই প্রতিক্রিয়াকে স্বাগত জানিয়েছি। গণতন্ত্রের সৌন্দর্যই হলো সমালোচনা ও আলোচনা। তবে রাষ্ট্রীয় বা সার্বজনীন অনুষ্ঠানে কতটুকু প্রতিবাদ বা হট্টগোল করা উচিত, সেটিও সবার বিবেচনায় রাখা প্রয়োজন। আমি সন্তুষ্ট যে, তাঁদের অসম্মানিত হতে দেওয়া হয়নি এবং তাঁরা তাঁদের অনুভূতি প্রকাশের যথাযথ সুযোগ পেয়েছেন।’

/এএসএফ