সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন আবারও দাখিল হয়নি। এ নিয়ে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমার সময় ১২৬তম বারের মতো পিছিয়ে গেল। আদালত নতুন করে আগামী ১৮ জুন প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ নির্ধারণ করেছেন।বৃহস্পতিবার (৭ মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমান এই আদেশ দেন। নির্ধারিত দিনে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা থাকলেও তদন্তকারী কর্মকর্তা ও পিবিআইয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আজিজুল হক প্রতিবেদন দাখিলে ব্যর্থ হন।
ফলে আদালত নতুন তারিখ ঘোষণা করেন।মামলার আসামিদের মধ্যে রয়েছেন রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মাসুম মিন্টু, কামরুল ইসলাম ওরফে অরুন, আবু সাঈদ, এবং সাগর-রুনির বাসার দুই নিরাপত্তারক্ষী পলাশ রুদ্র পাল ও এনায়েত আহমেদ, পাশাপাশি তাদের বন্ধু তানভীর রহমান খান। এদের মধ্যে তানভীর ও পলাশ জামিনে আছেন, বাকিরা কারাগারে রয়েছেন।উল্লেখ্য, ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের বাসায় মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সারোয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনিকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।
ঘটনার পর রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় হত্যা মামলা করেন।প্রথমে মামলাটি তদন্ত করে থানা পুলিশ, পরে তা হস্তান্তর করা হয় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশকে (ডিবি)। পরবর্তীতে রহস্য উদঘাটনে ব্যর্থ হওয়ায় একই বছরের ১৮ এপ্রিল তদন্তভার যায় র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-এর কাছে।
এরপর গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট মামলাটির তদন্তে বিভিন্ন বাহিনীর অভিজ্ঞ কর্মকর্তাদের নিয়ে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্স গঠনের নির্দেশ দেন এবং র্যাবকে তদন্ত থেকে সরিয়ে ছয় মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।পরে ১৭ অক্টোবর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ পিবিআই প্রধানকে আহ্বায়ক করে চার সদস্যের উচ্চপর্যায়ের টাস্কফোর্স গঠন করে।
/বিএসএস