• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬, ০৮:০৮ পিএম


সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কোনআন শিক্ষক নিয়োগের দাবি নেত্রকোনা-৫ জামায়াত সাংসদের!

দি পালস বিডি অনলাইন ডেস্ক
আপডেট টাইম: ৮ জুলাই ২০২৬ ১০:০৮ পিএম

দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে অধ্যয়নরত মুসলিম শিক্ষার্থীদের বিশুদ্ধ কোরআন তেলাওয়াত শিক্ষা নিশ্চিত করতে নূরানী অথবা তালিমুল কোরআন ফাউন্ডেশন থেকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত একজন করে শিক্ষক নিয়োগের দাবি জানানো হয়েছে জাতীয় সংসদে।

বুধবার (৮ জুলাই) সংসদে এ দাবি উত্থাপন করেন নেত্রকোনা-৫ আসনের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য অধ্যাপক মাছুম মোস্তফা।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ একটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ। অধিকাংশ মুসলিম পরিবার তাদের সন্তানদের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি শুদ্ধভাবে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত শেখাতে আগ্রহী। কিন্তু বাস্তবে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে অধ্যয়নরত বিপুলসংখ্যক মুসলিম শিক্ষার্থীর জন্য তাজবিদভিত্তিক ও বিশুদ্ধ কোরআন তেলাওয়াত শিক্ষার পর্যাপ্ত সুযোগ নেই।

মাছুম মোস্তফা বলেন, অনেক বিদ্যালয়ে ধর্মীয় শিক্ষা পাঠদান করা হলেও শুদ্ধ উচ্চারণ, মাখরাজ ও তাজবিদের নিয়ম অনুসারে কোরআন শিক্ষা দেওয়ার মতো পর্যাপ্ত শিক্ষক নেই। ফলে অনেক শিক্ষার্থী প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করেও শুদ্ধভাবে কোরআন তেলাওয়াত করতে পারে না।

তিনি আরও বলেন, এ কারণে অভিভাবকদের অতিরিক্ত ব্যয়ে সন্তানদের মক্তব, নূরানী শিক্ষা কেন্দ্র অথবা ব্যক্তিগত শিক্ষকের কাছে পাঠাতে হয়। তবে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য এই অতিরিক্ত ব্যয় বহন করা অনেক ক্ষেত্রে কষ্টসাধ্য, এমনকি অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়।

সংসদ সদস্যের ভাষ্য, নূরানী ও তালিমুল কোরআন পদ্ধতি বর্তমানে শিশুদের শুদ্ধ কোরআন শিক্ষা প্রদানের একটি পরীক্ষিত ও জনপ্রিয় মাধ্যম হিসেবে দেশব্যাপী স্বীকৃত। এসব পদ্ধতিতে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষকরা অল্প সময়ের মধ্যে শিশুদের বিশুদ্ধ কোরআন তেলাওয়াত, তাজবিদ এবং মৌলিক ধর্মীয় জ্ঞান প্রদান করতে সক্ষম হন।

তিনি বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ধরনের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষক নিয়োগ করা হলে শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি শুদ্ধ কোরআন তেলাওয়াত শেখার সুযোগ পাবে। একই সঙ্গে তারা ধর্মীয় ও নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে আরও সহায়ক পরিবেশ পাবে।

/এএসএফ