• ঢাকা
  • শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৩১ পিএম


আমিও গুমের শিকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেট টাইম: ১২ এপ্রিল ২০২৬ ১১:৪৫ পিএম

সালাহউদ্দিন আহমদ নিজেও গুমের শিকার হওয়ার অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে গুম কমিশনকে আরও কার্যকর ও সমন্বিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। তিনি বলেন, আলোচনা ও পরিমার্জনের মাধ্যমে গুম কমিশনসহ সংশ্লিষ্ট আইনগুলো উন্নত করে ভুক্তভোগীদের জন্য সর্বোচ্চ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে।

রোববার (১২ এপ্রিল) বিকেলে সচিবালয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, গুম কমিশন এমনভাবে গঠন করতে হবে, যাতে এর কার্যকারিতা বজায় থাকে। এ জন্য গুম কমিশন, মানবাধিকার কমিশন এবং সংশ্লিষ্ট আইনগুলো নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা করে সমন্বিত ও যুগোপযোগী কাঠামো গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথা জানান তিনি।

বিরোধী দলের সমালোচনা করে তিনি বলেন, সংসদের অনুমতি নিয়ে আইনমন্ত্রী ইতোমধ্যে জানিয়েছেন যে, প্রয়োজন হলে সংশোধিত আকারে পরবর্তী অধিবেশনে বিলটি আবারও উপস্থাপন করা যেতে পারে। এর আগে সব পক্ষের মতামত নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে একটি গ্রহণযোগ্য খসড়া তৈরি করা হবে। তবে বিরোধী দলের সদস্যরা বিষয়টি যথাযথভাবে বিবেচনা না করে বিভিন্ন অপ্রাসঙ্গিক ইস্যু তুলে ধরে একাধিকবার ওয়াকআউট করেছেন, যা তার মতে যৌক্তিক ছিল না।

তিনি আরও বলেন, গুম কমিশন অধ্যাদেশ, মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় এবং বিচারক নিয়োগ সংক্রান্ত আইনসহ বিভিন্ন বিষয়ে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে। এসব আইনকে আরও পরিপূর্ণ করে পরবর্তী অধিবেশনে উপস্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সতর্ক করে বলেন, একাধিক তদন্ত সংস্থা গড়ে উঠলে তদন্তে দ্বৈততা তৈরি হতে পারে। এতে ভিন্ন ভিন্ন প্রতিবেদন তৈরি হওয়ার ঝুঁকি থাকবে, যা আসামিদের সুবিধা দিতে পারে এবং বিচার প্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত হতে পারে। এ কারণে সমন্বিত কাঠামোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় কিছু অধ্যাদেশ তাড়াহুড়ো করে করা হয়েছিল। বর্তমানে একটি নিয়মিত রাজনৈতিক সরকার ক্ষমতায় থাকায় এখন পর্যাপ্ত সময় নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে আইনগুলো পরিমার্জনের সুযোগ রয়েছে।

সবশেষে তিনি বলেন, বিষয়গুলোকে রাজনৈতিকভাবে না দেখে সমন্বিতভাবে এগিয়ে গেলে তা সবার জন্য কল্যাণকর হবে।