• ঢাকা
  • শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:২১ পিএম


নিত্যপণ্যের বাজারে অস্থিরতা—কতটা বাড়লো দাম?

আপডেট টাইম: ১৭ এপ্রিল ২০২৬ ১১:০৮ এএম

বাজারে সোনালি মুরগি, সয়াবিন তেল ও সুগন্ধি চালের দাম আগে থেকেই বাড়তি। এর সঙ্গে নতুন করে কয়েক ধরনের সবজি ও ফার্মের মুরগির ডিমের দাম বেড়েছে।

বাজারে সোনালি ও ব্রয়লার মুরগি এখনো চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে। এর সঙ্গে চলতি সপ্তাহে ফার্মের মুরগির ডিমের দাম বেড়েছে। গতকাল রাজধানীর বাজারগুলোতে প্রতি কেজি সোনালি মুরগি ৩৮০-৩৯০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। আর কালার বার্ড বা হাইব্রিড সোনালি বিক্রি হয়েছে ৩৫০-৩৬০ টাকায়। এই দাম আগের সপ্তাহের তুলনায় কেজিতে ২০-৩০ টাকা কম। যদিও মাসখানেক আগে সোনালি মুরগি ২৮০-৩২০ টাকায় বিক্রি হয়েছিল। সে হিসেবে এখনো চড়া দামেই সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে। ব্রয়লারের দামও চড়া; কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৯০-২০০ টাকায়। রোজার আগে ব্রয়লার মুরগি ১৫০-১৬০ টাকায় বিক্রি হয়েছিল।

এদিকে গত তিন-চার দিনের ব্যবধানে বাজারে ফার্মের মুরগির ডিমের দাম ডজনে ১০ টাকা বেড়েছে। দাম বাড়ার পর গতকাল এক ডজন ডিম বিক্রি হয়েছে ১১০-১২০ টাকায়। ডিমের আকার বড় হলে দাম পড়ছে ১৩০ টাকা।

এখন গ্রীষ্ম মৌসুমের সবজি বাজারে আসা শুরু হয়েছে। সাধারণত এ সময় নতুন সবজির দাম কিছুটা বেশি থাকে। আবার শীতের কিছু সবজির সরবরাহ কমায় সেগুলোর দামও বাড়তি। গত এক-দুই সপ্তাহের ব্যবধানে বাজারে লাউ, বেগুন, কাঁকরোল, পেঁপে, টমেটো, চিচিঙ্গা প্রভৃতি সবজির দাম বেড়েছে। বাজারে সবচেয়ে বেশি দাম কাঁকরোলের; কেজি ১২০-১৪০ টাকা। এ ছাড়া বরবটি, পটোল, করলা, চিচিঙ্গা, ঝিঙে, বেগুন প্রভৃতি সবজির দাম ৮০ টাকা বা তার চেয়ে বেশি। আগে প্রতিটি লাউ ৪০-৬০ টাকায় কেনা যেত, যা এখন ৬০ থেকে ৮০ টাকা হয়েছে। অবশ্য দাম কম রয়েছে কাঁচা মরিচ ও আলুর।

এদিকে আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবৃদ্ধির কথা বলে কয়েক দিনে একাধিকবার ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে ভোজ্যতেল পরিশোধন কারখানার মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন। সর্বশেষ গত রোববার এ নিয়ে ব্যবসায়ীরা বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদিরের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকের পর বাণিজ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, ব্যবসায়ীরা ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছেন, এটা স্বাভাবিক। তবে জনগণের কথা ভেবে আপাতত ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানো হচ্ছে না। যদিও ওই বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, দাম না বাড়িয়ে ভোজ্যতেল ব্যবসায়ীদের শুল্কছাড় দেওয়ার চিন্তা করা হচ্ছে। তবে এসব আলাপ-আলোচনার মধ্যে বাজারে বোতলজাত সয়াবিনের সরবরাহ বাড়ায়নি কোম্পানিগুলো।