• ঢাকা
  • শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৫৩ পিএম


কোনো ইলেকট্রনিক সংকেত ছাড়াই’ মার্কিন ঘাঁটিতে সফল হামলা চালায় ইরানি পাইলটরা

দি পালস বিডি অনলাইন ডেস্ক
আপডেট টাইম: ৭ আগস্ট ২০২৬ ৮:৫৩ পিএম

ইরানের বিমানবাহিনীর পাইলটরা জিপিএস (গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম) কিংবা আইএনএস (ইনারশিয়াল ন্যাভিগেশন সিস্টেম) ব্যবহার না করেই যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রিত সামরিক ঘাঁটিতে একটি দুঃসাহসিক অভিযান পরিচালনা করেছিলেন বলে দাবি করেছেন দেশটির একজন শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা।প্রেস টিভির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরান এয়ার ফোর্সের (আইআরআইএএফ) ডেপুটি কো-অর্ডিনেটর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাসুদ জাফারি এ দাবি করেন। তিনি কাতারের আল-উদেইদে অবস্থিত মার্কিন বিমানঘাঁটিতে ২ মার্চ পরিচালিত অভিযানের প্রসঙ্গ তুলে এসব বক্তব্য দেন।জাফারির ভাষ্য অনুযায়ী, দীর্ঘদিনের নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরানের পাইলটরা জিপিএস বা আইএনএসের মতো আধুনিক নেভিগেশন ব্যবস্থার ওপর নির্ভর না করেই উড্ডয়ন ও অভিযান পরিচালনায় দক্ষ হয়ে উঠেছেন। তিনি বলেন, ইরানি পাইলটরা মানচিত্র পাঠ এবং মৌলিক নেভিগেশন কৌশলের মাধ্যমে তাদের সামরিক মিশন সম্পন্ন করেন।তিনি আরও বলেন, ‘সম্ভবত আমাদের সবচেয়ে বড় সুবিধা ছিল, আমরা কোনো ধরনের সংকেতই নির্গত করিনি। এমনকি বিমান থেকে কোনো রেডিও যোগাযোগ বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক সংকেতও পাঠানো হয়নি।’জাফারির দাবি, ২ মার্চ ইরানের বিমানবাহিনী কাতারের আল-উদেইদ মার্কিন বিমানঘাঁটিতে অভিযান চালায়। একই দিনে ইরানি এফ-৫ যুদ্ধবিমান কুয়েতে যুক্তরাষ্ট্র পরিচালিত আল-আদিরি ঘাঁটিতেও অভিযান পরিচালনা করে।তিনি আরও দাবি করেন, এসব হামলার পর যুক্তরাষ্ট্রের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় চলে যায়। এ সময় কুয়েতি বাহিনীর হামলায় তিনটি মার্কিন এফ-১৫ই স্ট্রাইক ঈগল যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হয় বলেও তিনি উল্লেখ করেন।জাফারির বক্তব্য অনুযায়ী, চারজন পাইলট এসইউ-২৪ যুদ্ধবিমানে করে শিরাজের শহিদ দৌরান বিমানঘাঁটি থেকে আল-উদেইদ ঘাঁটির উদ্দেশে উড্ডয়ন করেন। তাদের মধ্যে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মজিদ কাজেমির মরদেহ সম্প্রতি দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। তবে বাকি তিন পাইলটের পরিণতি সম্পর্কে এখনো কোনো তথ্য জানা যায়নি।জাফারি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের শুরুর দিকে প্রতিপক্ষ সম্ভবত কল্পনাও করেনি যে ইরানের বিমানবাহিনী এতটা ঝুঁকিপূর্ণ একটি অভিযান পরিচালনার সাহস দেখাবে।’

/বিএসএস