• ঢাকা
  • রোববার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ১২:২৫ এএম


আমেরিকাকে কাঁপিয়ে দিয়েছে ১৭ দিনের যুদ্ধ

দি পালস বিডি অনলাইন ডেস্ক
আপডেট টাইম: ৪ আগস্ট ২০২৬ ১১:১৪ এএম

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জ্যেষ্ঠ সামরিক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল মোহসেন রেজায়ি দাবি করেছেন, সাম্প্রতিক ১৭ দিনের সংঘাতে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলোতে বড় ধরনের আঘাত হেনেছে।সোমবার ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম মেহের নিউজে প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে রেজায়ি বলেন, “এই সংঘাতকে তৃতীয় যুদ্ধ বা মহররমের ১৭ দিনের যুদ্ধ বলা উচিত। এই যুদ্ধে আমরা যুক্তরাষ্ট্রকেও কঠোর আঘাত করেছি।”তার ভাষ্য, বিশ্বের কাছে এই যুদ্ধ অস্বাভাবিক মনে হলেও ইরানের জন্য এটি পূর্বানুমিত ছিল। তিনি দাবি করেন, সংঘাত শুরুর আগেই রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি সতর্ক করেছিলেন যে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) থেকে সরে দাঁড়াবেন এবং সামরিক হামলা চালাবেন।রেজায়ির দাবি, সংঘাতের প্রথম চার থেকে পাঁচ দিনের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র সেই সমঝোতা লঙ্ঘন করে। তিনি বলেন, ইসলামী বিপ্লবের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি তখন বলেছিলেন, ইরানের জনগণ চুক্তির শর্ত বাস্তবায়নের জন্য অপেক্ষা করবে। কিন্তু ট্রাম্প প্রকাশ্যে চুক্তিতে স্বাক্ষর করলেও পরে তার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেননি।ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)-এর সাবেক এই কমান্ডার আরও দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালির দক্ষিণে একটি নতুন করিডোর তৈরির উদ্যোগ নিয়েছিল এবং এ বিষয়ে ইরানের সতর্কবার্তা উপেক্ষা করেছিল। এর জবাবে ইরান দুই থেকে তিনটি জাহাজে হামলা চালিয়ে তাদের সমঝোতায় ফিরে আসার বার্তা দেয়।রেজায়ির ভাষ্য অনুযায়ী, পরে যুক্তরাষ্ট্র ওই সমঝোতা ভঙ্গ করে দক্ষিণ ইরানে হামলা চালায়, যদিও চুক্তিতে হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের সার্বভৌমত্ব স্বীকার করা হয়েছিল বলে তিনি দাবি করেন।তিনি আরও দাবি করেন, ইরানের পাল্টা হামলায় ইরাকি কুর্দিস্তান ও কুয়েতে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলো লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়। এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রকে ওই দুটি ঘাঁটি খালি করতে বাধ্য হতে হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।

/বিএসএস