• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৫৭ পিএম


শরীর নুয়ে পড়েছে, কণ্ঠে এখনো আজানের ধ্বনি; ৭০ বছর ধরে মুয়াজ্জিনের দায়িত্বে শতবর্ষী বৃদ্ধ

দি পালস বিডি অনলাইন ডেস্ক
আপডেট টাইম: ১৯ আগস্ট ২০২৬ ১২:০৭ এএম

আফ্রিকার দেশ চাদের এক প্রবীণ মুয়াজ্জিনের আজান দেওয়ার একটি ভিডিও সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। বয়সের ভারে শরীর অত্যন্ত দুর্বল হয়ে পড়লেও তাঁর অটুট নিষ্ঠা ও দায়িত্ববোধ নেটিজেনদের দৃষ্টি কেড়েছে।স্থানীয় ও আঞ্চলিক বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ওই মুয়াজ্জিনের বাড়ি চাদের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় শহর আমতাঁকে। তাঁকে ওই অঞ্চলের অন্যতম প্রবীণ এবং দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করে আসা সক্রিয় মুয়াজ্জিন হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে।অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, তিনি ৭০ বছরেরও বেশি সময় ধরে একই মসজিদে নিয়মিত আজান দিয়ে আসছেন। দীর্ঘ বার্ধক্য ও শারীরিক নানা সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও প্রতিদিন মসজিদে গিয়ে আজান দেওয়ার এই দৃশ্য তাঁর ধর্মীয় দায়িত্বের প্রতি গভীর নিষ্ঠার প্রতিচ্ছবি হিসেবে মানুষের সামনে এসেছে।প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে তাঁর এই ধর্মীয় সেবা স্থানীয় মানুষের কাছে শ্রদ্ধার বিষয় হয়ে উঠেছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষের মনোযোগ আকর্ষণ করেছে।ভিডিওতে দেখা যায়, বয়সের ভারে শরীর নুয়ে পড়লেও তিনি আজান দেওয়ার দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর এই দৃশ্য দেখে অনেকেই প্রবীণ বয়সেও ধর্মীয় দায়িত্ব পালনের প্রতি তাঁর অঙ্গীকারের প্রশংসা করছেন।তবে এই দাবির সত্যতা নিয়ে কিছু সীমাবদ্ধতাও রয়েছে। ওই মুয়াজ্জিনের বয়স ১০০ বছর এবং তিনি ৭০ বছরের বেশি সময় ধরে একই মসজিদে আজান দিয়ে আসছেন—এমন তথ্য মূলত স্থানীয় সূত্র ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন প্রতিবেদনের ওপর নির্ভর করে প্রচারিত হয়েছে।এখন পর্যন্ত আন্তর্জাতিক পর্যায়ের শীর্ষস্থানীয় মূলধারার সংবাদমাধ্যমগুলো এই দাবিগুলো স্বাধীনভাবে পূর্ণাঙ্গভাবে যাচাই করেছে—এমন তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে তাঁর বয়স ও দীর্ঘ সাত দশকের দায়িত্ব পালনের দাবিকে নিশ্চিত তথ্য হিসেবে উপস্থাপনের ক্ষেত্রে সতর্কতা প্রয়োজন।তারপরও ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি একজন প্রবীণ মানুষের ধর্মীয় দায়িত্ব পালনের দৃশ্য হিসেবে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি করেছে। তাঁর নিষ্ঠা ও দীর্ঘদিনের সেবার দাবিকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলছে নানা আলোচনা।