ইরানি হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনা ও রাডার ব্যবস্থার ক্ষয়ক্ষতির পর অঞ্চলজুড়ে আবহাওয়ায় অস্বাভাবিক পরিবর্তনের দাবি উঠে এসেছে। ইরাক, ইরান, আফগানিস্তান, পাকিস্তান এবং ভারতের কিছু অংশে সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাপক বৃষ্টিপাত লক্ষ্য করা গেছে।
ইরানের পাভেহ অঞ্চলের একটি বড় বাঁধ দীর্ঘ সাত বছর পর আবার উপচে পড়েছে। প্রায় ৪০০ মিলিয়ন ঘনমিটার ধারণক্ষমতাসম্পন্ন এই বাঁধটি ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে সম্পূর্ণ পূর্ণ হয়ে পানি উপচে পড়তে শুরু করেছে।
এদিকে ইরাকের বৃহত্তম Darbandikhan Dam-টিও শতভাগ পূর্ণ হয়ে যাওয়ায় এর জলাধারের গেট খুলে দিতে হয়েছে। বহু বছর পর বাঁধটি আবার পূর্ণ ধারণক্ষমতায় পৌঁছেছে বলে জানা গেছে।
এরই মধ্যে সামাজিক মাধ্যমে নানা ধরনের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। কিছু সূত্রের দাবি, মধ্যপ্রাচ্যে বিশেষ করে United Arab Emirates-এ ব্যবহৃত ক্লাউড সিডিং প্রযুক্তির মাধ্যমে আবহাওয়া নিয়ন্ত্রণ করা হতো। অন্যদিকে, কেউ কেউ উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ফেজড-অ্যারে রাডার ব্যবস্থার মাধ্যমে বায়ুমণ্ডলের স্বাভাবিক প্রবাহে প্রভাব বিস্তারের কথাও বলছেন।
তবে এসব দাবির পক্ষে কোনো নির্ভরযোগ্য বৈজ্ঞানিক প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আবহাওয়ার এমন পরিবর্তন প্রাকৃতিক কারণেও ঘটতে পারে।
এদিকে দীর্ঘদিনের খরাপ্রবণ Tehran-এ সাম্প্রতিক ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে তাপমাত্রা প্রায় ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত কমে এসেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, চলমান পরিস্থিতি নিয়ে নানা ব্যাখ্যা থাকলেও নিশ্চিতভাবে কিছু বলা কঠিন। তবে অনেকে মনে করছেন, মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা কমে এলে অঞ্চলটিতে দীর্ঘমেয়াদে স্থিতিশীলতা ও শান্তি ফিরে আসার সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।