স্বামীর সংসার ছেড়ে প্রেমিকের সঙ্গে নতুন জীবন শুরু করেছিলেন বিহারের এক তরুণী। তবে দুই বছর পর সেই সম্পর্কেরই মর্মান্তিক পরিণতি হয়েছে। ভারতের কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল দামানে একটি ট্রলি ব্যাগের ভেতর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে তার মরদেহ। এ ঘটনায় তার লিভ-ইন সঙ্গী পলাতক রয়েছেন।
নিহত তরুণীর নাম ছোটী কুমারী। তিনি ভারতের বিহার রাজ্যের নওয়াদা জেলার বাসিন্দা। এ ঘটনায় অভিযুক্ত হিসেবে তার লিভ-ইন সঙ্গী ঋষভ কুমারের নাম উল্লেখ করেছে পুলিশ। তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বিবাহিত থাকা অবস্থায় ছোটী কুমারীর সঙ্গে একই এলাকার বাসিন্দা ঋষভ কুমারের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। প্রায় দুই বছর আগে পরিবারের আপত্তি উপেক্ষা করে তিনি স্বামীর সংসার ছেড়ে ঋষভের সঙ্গে চলে যান। এরপর পরিবারের পক্ষ থেকে স্থানীয় থানায় নিখোঁজ ও অপহরণের অভিযোগ দায়ের করা হলেও তিনি আর বাড়ি ফেরেননি।
পরবর্তীতে ওই যুগল দামানে গিয়ে একটি ভাড়া বাসায় লিভ-ইন সম্পর্কে বসবাস শুরু করেন।
নিহতের পরিবারের দাবি, সম্প্রতি ছোটী ও ঋষভের মধ্যে প্রায়ই বিরোধ ও কলহ হতো। সেই বিরোধের জেরেই ঋষভ তাকে হত্যা করে মরদেহ ট্রলি ব্যাগে ভরে ফেলে রেখে পালিয়ে যান।
স্থানীয়দের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ একটি ট্রলি ব্যাগের ভেতর থেকে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করে। তদন্তের মাধ্যমে পরে নিহতের পরিচয় ছোটী কুমারী হিসেবে নিশ্চিত করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে অভিযুক্ত ঋষভ কুমারকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
তদন্তকারীরা বলছেন, হত্যাকাণ্ডের পেছনে পারিবারিক বিরোধই একমাত্র কারণ ছিল, নাকি অন্য কোনো উদ্দেশ্য বা ষড়যন্ত্র জড়িত ছিল—সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা গেলে ঘটনার প্রকৃত কারণ আরও স্পষ্ট হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে
/এএসএফ