ছবি: সংগৃহীত
ডিমের কুসুম অত্যন্ত পুষ্টিকর হলেও সবার জন্য সমানভাবে উপকারী নয়। কিছু নির্দিষ্ট শারীরিক অবস্থায় এটি সীমিত পরিমাণে খাওয়া বা এড়িয়ে চলা ভালো।
যাদের জন্য ডিমের কুসুম কম খাওয়া উচিত
১. হৃদরোগী বা উচ্চ কোলেস্টেরল আছে যাদের
ডিমের কুসুমে প্রতি কুসুমে প্রায় ১৮০–২০০ মি.গ্রা. কোলেস্টেরল থাকে। অতিরিক্ত কোলেস্টেরল রক্তে এলডিএল (“খারাপ”) কোলেস্টেরল বাড়িয়ে হৃদরোগ ও ধমনী ব্লকের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। তাই এদের ক্ষেত্রে সপ্তাহে ২–৩টির বেশি কুসুম না খাওয়াই ভালো।
২. ডায়াবেটিস রোগী
কুসুমে থাকা চর্বি ও কোলেস্টেরল ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স বাড়াতে পারে, ফলে রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ কঠিন হয়ে যায় এবং হৃদরোগের ঝুঁকিও বাড়ে।
৩. লিভার বা পিত্তথলির সমস্যা থাকলে
কুসুমের ফ্যাট হজমে সমস্যা তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে ফ্যাটি লিভার বা গলস্টোন থাকলে কুসুম এড়িয়ে চলা নিরাপদ।
৪. অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলতা থাকলে
ডিমের কুসুমে ক্যালোরি ও ফ্যাট বেশি থাকে, যা অতিরিক্ত খেলে ওজন বাড়াতে পারে।
যাদের জন্য পরিমিত খাওয়া নিরাপদ
✔ সুস্থ মানুষ
প্রতিদিন ১টি ডিম (কুসুমসহ) খাওয়া সাধারণত নিরাপদ।
✔ যারা নিয়মিত ব্যায়াম করেন
তারা প্রতিদিন ১–২টি কুসুম খেতে পারেন, কারণ তাদের শরীর অতিরিক্ত কোলেস্টেরল সহজে ব্যবহার করতে পারে।
সংক্ষেপে, ডিমের কুসুম পুরোপুরি বাদ দেওয়ার প্রয়োজন নেই—কিন্তু নিজের স্বাস্থ্য অনুযায়ী পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।