• ঢাকা
  • শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৩৪ এএম


২০২৭ শিক্ষাবর্ষে পাঠ্যক্রমে যুক্ত হচ্ছে নতুন ৪ বই

দি পালস বিডি অনলাইন ডেস্ক
আপডেট টাইম: ২৪ অক্টোবর ২০২৬ ৮:০১ পিএম

প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থার মুখস্থবিদ্যা ও পরীক্ষাকেন্দ্রিক মানসিকতা থেকে শিক্ষার্থীদের বের করে এনে আনন্দময়, জীবনমুখী ও দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষার সুযোগ তৈরি করতে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের দুটি শ্রেণিতে নতুন চারটি পাঠ্যবই যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ, নৈতিক মূল্যবোধ, সৃজনশীল চিন্তা এবং বাস্তবমুখী কর্মদক্ষতা বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে বইগুলো প্রণয়ন করেছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)।

নতুন বই চারটি হলো চতুর্থ শ্রেণির ‘খেলাধুলা’ ও ‘বাংলাদেশের সংস্কৃতি’ এবং ষষ্ঠ শ্রেণির ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ ও ‘আমার কারিগরি শিক্ষা’।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, শিক্ষাব্যবস্থাকে আনন্দময়, বাস্তবমুখী ও নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দীর্ঘদিনের পরিকল্পনা, গবেষণা ও নির্দেশনার আলোকে নতুন পাঠ্যবইগুলো শিক্ষাক্রমে অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসসকে বলেন, রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে বহুমুখী পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন। এর অংশ হিসেবে তিনি শিক্ষা খাতেও প্রয়োজনীয় সংস্কারের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। শিক্ষাব্যবস্থাকে আনন্দময়, বাস্তবমুখী ও নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন করে তুলতে প্রধানমন্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে কাজ করেছেন। শিক্ষা নিয়ে তাঁর চিন্তাভাবনা, অভিজ্ঞতা ও গবেষণার প্রতিফলন হিসেবেই নতুন বইগুলো পাঠ্যক্রমে যুক্ত করা হচ্ছে।

মাহ্দী আমিন আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গত ১৫ বছর কাজ করে তিনি বুঝেছেন, তারেক রহমান এমন একটি শিক্ষাব্যবস্থা চান, যার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে মানবিক মূল্যবোধ, সামাজিক শিষ্টাচার, পারিবারিক সংস্কৃতি ও সুনাগরিকের গুণাবলি গড়ে উঠবে। পাশাপাশি শিক্ষার মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগও তৈরি হবে।

তিনি জানান, নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় এ কার্যক্রম এগিয়ে নিতে এনসিটিবিকে সম্পৃক্ত করা হয়। এ লক্ষ্যে সংস্থাটি একটি দল গঠন করে। প্রধানমন্ত্রীকে এসব নীতি প্রণয়নে সহযোগিতা করা ব্যক্তিদের পাশাপাশি বিভিন্ন পর্যায়ে শিক্ষা কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত বিশিষ্ট শিক্ষাবিদদেরও ওই প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা বাস্তবায়নে তাঁদের মধ্যে ধারাবাহিক পরামর্শ ও বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এনসিটিবি-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী আনন্দ, খেলাধুলা, সংস্কৃতি এবং হাতে-কলমে কারিগরি দক্ষতার সমন্বয়ে নতুন পাঠ্যবইগুলো তৈরি করা হয়েছে। তাঁদের আশা, বইগুলো নতুন প্রজন্মের শেখার পদ্ধতি ও অভিজ্ঞতায় পরিবর্তন আনবে।

আগামীকাল ২৫ অক্টোবর জাতীয় শিক্ষাক্রম সমন্বয় কমিটির (এনসিসি) সভায় বইগুলোর চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়ার কথা রয়েছে। এনসিটিবি জানিয়েছে, চারটি বইয়ের প্রায় ১ কোটি ৫০ লাখ কপি মুদ্রণের পরিকল্পনা রয়েছে।

এনসিটিবির চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোহাম্মদ ফখরুল মাওলা বাসসকে বলেন, নতুন চারটি পাঠ্যবইয়ের পাণ্ডুলিপি প্রণয়ন ও যাচাই-বাছাইয়ের কাজ ইতিমধ্যে সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। ২৫ অক্টোবর এনসিসির সভায় অনুমোদন পাওয়ার পরই বইগুলোর বিষয়বস্তু মুদ্রণের জন্য ছাপাখানায় পাঠানো হবে।

এনসিটিবি জানায়, গত ১২ জুলাই আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে চার মন্ত্রণালয়ের উচ্চপর্যায়ের একটি কর্মশালায় নতুন বইগুলোর রূপরেখা উপস্থাপন করা হয়েছিল। পরে বিশেষজ্ঞ ও শিক্ষাবিদদের সমন্বয়ে তৈরি করা হয় চূড়ান্ত পাণ্ডুলিপি।

এনসিটিবির সদস্য (পাঠ্যপুস্তক) অধ্যাপক মোহাম্মাদ আবু নাসের টুকু বাসসকে জানান, চারটি বই মুদ্রণের প্রস্তুতি এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। এনসিসির চূড়ান্ত অনুমোদন পাওয়ার পর আগামী ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে প্রায় দেড় কোটি কপি বই ছাপানোর কাজ শেষ হবে বলে আশা করছেন তাঁরা।

খেলাধুলা: সুস্থ জীবনধারা ও আত্মরক্ষার কৌশল

এনসিটিবি জানিয়েছে, শিক্ষার্থীদের বয়স ও মানসিক বিকাশের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে চতুর্থ শ্রেণির জন্য ‘খেলাধুলা’ বইটি তৈরি করা হয়েছে। ১৪টি অধ্যায়ে সাজানো বইটির প্রধান লক্ষ্য হলো ছোটবেলা থেকেই শিশুদের সুস্থ জীবনযাপন ও নিয়মিত খেলাধুলার প্রতি আগ্রহী করে তোলা।

বইটিতে ফুটবল, ক্রিকেট, কাবাডি, ব্যাডমিন্টন, সাঁতার, অ্যাথলেটিকস ও দাবাসহ বিভিন্ন খেলার মৌলিক নিয়মকানুন সহজভাবে তুলে ধরা হয়েছে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের শারীরিক সক্ষমতা বাড়ানো এবং আত্মরক্ষার কৌশল শেখানোর জন্য কারাতে, জুডো ও তায়কোয়ান্দোর মতো বিষয়ও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

খেলাধুলা কিংবা দৌড়ানোর সময় দুর্ঘটনাজনিত কাটা-ছেঁড়া, মচকানো, নাক দিয়ে রক্ত পড়া ও হিট স্ট্রোকের মতো পরিস্থিতিতে কী করতে হবে, তা বাস্তবসম্মত ছবির মাধ্যমে বোঝানো হয়েছে। জরুরি অবস্থায় প্রাথমিক চিকিৎসার সরঞ্জাম কীভাবে ব্যবহার করতে হয় এবং আঘাত এড়ানোর উপায় কী—এসব বিষয়ও শিক্ষার্থীরা হাতে-কলমে শেখার সুযোগ পাবে।

শুধু খেলাধুলার মধ্যেই বইটির বিষয়বস্তু সীমাবদ্ধ রাখা হয়নি। এতে পুষ্টি, সামাজিক দক্ষতা এবং দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হওয়ার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

বইটির প্রথম অধ্যায়ে ‘স্বপ্ন যখন আকাশ ছোঁয়া’ শিরোনামে একটি বাস্তবভিত্তিক অনুপ্রেরণামূলক গল্প রাখা হয়েছে। এতে প্রত্যন্ত গ্রামের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক আয়মান স্যার ও তাঁর সহকর্মী সাদিয়া আপার উদ্যোগে মেয়েদের ফুটবল দল গড়ে ওঠার কাহিনি তুলে ধরা হয়েছে।

গল্পটিতে সামাজিক বাধা ও কুসংস্কার অতিক্রম করে মেহজাবিনসহ একাধিক শিক্ষার্থীর ইউনিয়ন, উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায় পেরিয়ে জাতীয় পর্যায়ে বিজয়ী হওয়ার ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে। এর মাধ্যমে খেলাধুলা যে শরীর সুস্থ রাখার পাশাপাশি পেশা হিসেবেও আর্থসামাজিক পরিবর্তন এবং জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারে, তা বোঝানোর চেষ্টা করা হয়েছে।

এনসিটিবির চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোহাম্মদ ফখরুল মাওলা বাসসকে বলেন, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা যেন একমুখী ও ক্লান্তিকর না হয়ে ওঠে, সে বিষয়টি বিশেষভাবে বিবেচনায় রেখে প্রথমবারের মতো ‘খেলাধুলা’ বইটি প্রণয়ন করা হয়েছে।

বাংলাদেশের সংস্কৃতি: ঐতিহ্য, মূল্যবোধ ও নতুন কুঁড়ি

দেশের সমৃদ্ধ ইতিহাস, ঐতিহ্য ও লোকজ সংস্কৃতির সঙ্গে শিশুদের পরিচিত করে তুলতে চতুর্থ শ্রেণির জন্য ‘বাংলাদেশের সংস্কৃতি’ বইটি ১১টি অধ্যায়ে সাজানো হয়েছে বলে জানিয়েছে এনসিটিবি-সংশ্লিষ্ট সূত্র।

বইটিতে বাংলাদেশের ভাষা, পোশাক, শিল্পকলা, খাদ্যসংস্কৃতি, সামাজিক রীতিনীতি এবং ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী জীবনধারা বর্ণিল ছবির মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে।

এতে বাংলা বর্ণমালার চর্চা, বিদ্যালয়ের উৎসব, জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং পিঠা-পুলির ঐতিহ্যের পাশাপাশি পারিবারিক জীবন ও সামাজিক আচরণের বিষয়ও স্থান পেয়েছে। বাবা-মায়ের যৌথ সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং পরিবারের সদস্যদের মধ্যে গৃহস্থালির কাজে পারস্পরিক সহযোগিতার আধুনিক চিত্রও তুলে ধরা হয়েছে বইটিতে।

এ ছাড়া একটি বিশেষ অধ্যায়ে শিশু-কিশোরদের জনপ্রিয় প্রতিভা অন্বেষণমূলক আয়োজন ‘নতুন কুঁড়ি’র ইতিহাস অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সেখানে ১৯৭৬ সালে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উদ্যোগে আয়োজনটির সূচনা এবং প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের দুর্লভ ছবি যুক্ত করা হয়েছে।

লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস: ভীতিহীন ও আনন্দময় শিখনদর্শন

ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য তৈরি ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ বইটির মূল লক্ষ্য হলো পড়াশোনাকে ভয়মুক্ত ও আনন্দদায়ক করে তোলা। এনসিটিবি-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, ছয়টি অধ্যায়ে সাজানো বইটি বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থায় নতুন ধরনের শিখন ধারণা ও পাঠ্যক্রমের সংযোজন।

প্রচলিত পরীক্ষাকেন্দ্রিক পদ্ধতির পরিবর্তে আনন্দময় অভিজ্ঞতা, পারস্পরিক যোগাযোগ এবং সহপাঠক্রমিক বিভিন্ন কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে কীভাবে জ্ঞান অর্জন করা যায়, তা বইটিতে তুলে ধরা হয়েছে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পাঠ্যভার অনেকাংশে কমানো সম্ভব হবে বলেও আশা করা হচ্ছে।

বইটির বিষয়বস্তু এমনভাবে সাজানো হয়েছে, যাতে শিক্ষার্থীরা নিজেদের স্বাস্থ্য, চারপাশের পরিবেশ ও দৈনন্দিন অভিজ্ঞতার সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করে আনন্দের মধ্য দিয়ে নির্ধারিত শিখনফল অর্জন করতে পারে।

এনসিটিবির কর্মকর্তারা জানান, এই বইয়ের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বুঝতে পারবে, শেখা মানেই শুধু মুখস্থ করা কিংবা পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়া নয়। নিজের জীবন, স্বাস্থ্য, পরিবেশ, নিরাপত্তা, সৃজনশীলতা, পারস্পরিক সম্পর্ক এবং দৈনন্দিন অভিজ্ঞতা থেকেও জ্ঞান অর্জন করা সম্ভব।

আমার কারিগরি শিক্ষা: ছোট উদ্যোগ, বড় সম্ভাবনা

একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় শিক্ষার্থীদের হাতে-কলমে শেখার অভ্যাস এবং সমস্যা সমাধানের মানসিকতা গড়ে তুলতে ষষ্ঠ শ্রেণির জন্য ‘আমার কারিগরি শিক্ষা’ বইটি তৈরি করা হয়েছে। আটটি অধ্যায়ে সাজানো এই বইয়ের মূল দর্শন হলো, শিক্ষার্থীদের শুধু ‘আমি কী জানি’—এই তাত্ত্বিক ধারণার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে ‘আমি কী করতে পারি’—সেই সক্ষমতা অর্জনে সহায়তা করা।

এনসিটিবি জানিয়েছে, বইটিতে কারিগরি শিক্ষার পরিচিতি, চারপাশের প্রযুক্তি ও নতুন বিশ্ব, ‘ছোট উদ্যোগ, বড় সম্ভাবনা’, ‘যারা গড়ে, তারাই বদলায়’, সবুজ প্রযুক্তি এবং টেকসই জীবনযাপনের মতো বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

বাস্তব জীবনের বিভিন্ন কারিগরি সমস্যা চিহ্নিত করা এবং প্রযুক্তির সহায়তায় সেগুলোর প্রাথমিক সমাধান খুঁজে বের করার ক্ষেত্রে বইটি শিক্ষার্থীদের একটি শক্ত ভিত্তি তৈরি করতে সহায়তা করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এ ছাড়া নতুন চারটি বইয়ে শব্দকোষের মতো বিশেষ অধ্যায়ও যুক্ত করা হয়েছে।

নতুন বইগুলোর ভবিষ্যৎ সম্প্রসারণ পরিকল্পনা সম্পর্কে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন জানান, চতুর্থ শ্রেণি থেকে শুরু হতে যাওয়া খেলাধুলা ও সংস্কৃতি বিষয় দুটি পরবর্তী সময়ে প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত সম্প্রসারণ করা হবে। অন্যদিকে ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ ও ‘আমার কারিগরি শিক্ষা’ ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত সব শ্রেণির পাঠ্যক্রমে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

এনসিটিবির সদস্য (শিক্ষাক্রম) অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. শওকত আলী খান বাসসকে বলেন, নতুন চারটি পাঠ্যবই চালু হলে শিক্ষার্থীরা শুধু পুঁথিগত বিদ্যার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে আনন্দময় পরিবেশে বাস্তবমুখী ও দক্ষতাভিত্তিক জ্ঞান অর্জনের সুযোগ পাবে।

/এসএন