কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ একটি উচ্চবিদ্যালয়ের নতুন ভবনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গিয়ে নামফলকে নিজের নাম দেখে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। পরে ভবনটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন না করেই অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেন তিনি।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে নিজের নির্বাচনি এলাকার দেবীদ্বার উপজেলার রাধানগর উচ্চ বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। এদিন বিদ্যালয়ের নতুন একাডেমিক ভবন উদ্বোধন এবং বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হাসনাত আবদুল্লাহ।
বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, নতুন ভবনটির উদ্বোধনের জন্য ফিতা কাটার আগে নামফলকের পর্দা সরানো হয়। এ সময় সেখানে নিজের নাম খোদাই করা দেখতে পান সংসদ সদস্য। বিষয়টি দেখে তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করেন।
আয়োজকদের তিনি জানান, জনগণের করের অর্থে নির্মিত সরকারি বা প্রাতিষ্ঠানিক স্থাপনায় ব্যক্তির নামে নামফলক দেওয়ার সংস্কৃতিকে তিনি সমর্থন করেন না।
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, জনপ্রতিনিধি কিংবা রাজনৈতিক নেতাদের আত্মপ্রচারের জন্য স্থাপনার নামফলকে ব্যক্তির নাম ব্যবহার বন্ধ হওয়া উচিত। পুরোনো রাজনৈতিক সংস্কৃতির মতো ব্যক্তিপূজা ও আত্মপ্রচারের চর্চা তিনি নতুন বাংলাদেশে দেখতে চান না বলেও জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, জনগণের অর্থেই উন্নয়নকাজ বাস্তবায়িত হয়। ফলে কোনো স্থাপনার নামফলকে ব্যক্তিবিশেষের নামের পরিবর্তে দেশের নাম অথবা প্রতিষ্ঠানের ঐতিহাসিক তথ্য থাকা উচিত।
এ সময় নিজের নির্বাচনি এলাকার ভবিষ্যৎ উন্নয়নকাজ এবং প্রাতিষ্ঠানিক স্থাপনার উদ্বোধনী ফলকে তার নাম ব্যবহার না করার জন্য স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন হাসনাত আবদুল্লাহ। এরপর ভবনটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন না করেই অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেন তিনি।
এ ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। রাধানগর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবু সাঈদ বলেন, দ্রুত নামফলকটি পরিবর্তন করে নতুন করে স্থাপন করা হবে।
ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। কেউ কেউ ব্যক্তিপূজা ও চাটুকারিতার সংস্কৃতির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ হিসেবে ঘটনাটিকে ইতিবাচকভাবে দেখেছেন। আবার সমালোচকদের কেউ কেউ এটিকে রাজনৈতিক বার্তা দেওয়ার কৌশল হিসেবে মন্তব্য করেছেন।
সূত্র: ইত্তেফাক
১. নভেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহে তারেক রহমানের ভারত সফরের সম্ভাবনা
২. তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে নতুন করে সময়সূচি নির্ধারণের আলোচনা
৩. নভেম্বরেই ভারত সফরে যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
৪. তারেক রহমানের ভারত সফর, নভেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহ নিয়ে আলোচনা
৫. শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ ইস্যুর মধ্যেই তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে আলোচনা
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফরের নতুন সময়সূচি নির্ধারণ নিয়ে আলোচনা চলছে। আগামী নভেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহে সফরটি আয়োজনের বিষয়ে বাংলাদেশ ও ভারত আগ্রহী বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে ভারতের সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া।
এর আগে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের একটি উদ্যোগ বাতিল হওয়ার পর এবার নতুন করে সফরের সময়সূচি চূড়ান্ত করার চেষ্টা চলছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, অক্টোবরের শেষ সপ্তাহ অথবা নভেম্বরের শুরুতে ঢাকায় ভারতের নতুন হাইকমিশনার আসাদ আলম সিয়াম দায়িত্ব গ্রহণের পর এ প্রক্রিয়ায় আরও গতি আসতে পারে।
তবে তারেক রহমানের ভারত সফরের পথে বড় ধরনের অনিশ্চয়তা হয়ে আছে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের বিষয়টি। এ ইস্যুটি এখনো অমীমাংসিত থাকায় শেষ পর্যন্ত তারেক রহমানের ভারত সফর বাস্তবায়িত হবে কি না, তা নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা রয়েছে।
এদিকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এর জবাবে দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন নরেন্দ্র মোদিও। দুই নেতার এই যোগাযোগ সফরের তারিখ নির্ধারণের প্রক্রিয়ায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এ ছাড়া ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা (এনএসএ) অজিত ডোভালের সাম্প্রতিক ঢাকা সফর নিয়েও আলোচনা রয়েছে। বিভিন্ন সূত্রের দাবি, গত ১৭ সেপ্টেম্বর তিনি ঢাকায় এসেছিলেন। তবে তার ওই সফর নিয়ে বাংলাদেশ বা ভারতের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্পষ্ট কোনো তথ্য জানানো হয়নি।
/এসএন