• ঢাকা
  • শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৫৩ পিএম


প্রাথমিকে সংগীত শিক্ষক নিয়োগের প্রস্তাবে চূড়ান্ত ‘না’ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের

দি পালস বিডি অনলাইন ডেস্ক
আপডেট টাইম: ১৪ জুন ২০২৬ ১১:৫৯ পিএম

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক (সংগীত) পদ সৃষ্টির প্রস্তাবে চূড়ান্তভাবে অসম্মতি জানিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। ফলে আপাতত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আলাদা করে সংগীত শিক্ষক নিয়োগের সম্ভাবনা শেষ হয়ে গেছে।

রোববার (১৪ জুন) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে এ তথ্য জানান শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। জামায়াতের সংসদ সদস্য মো. নূরুল ইসলামের এক প্রশ্নের লিখিত উত্তরে তিনি বিষয়টি স্পষ্ট করেন।

প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে সংগীত শিক্ষা চালুর উদ্যোগকে কেন্দ্র করে গত কয়েক মাস ধরে রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা ও বিতর্ক চলছিল। বিশেষ করে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংগীত শিক্ষা অন্তর্ভুক্তির সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে আসছিল হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ।

সংগঠনটির দাবি ছিল, ধর্মপ্রাণ মুসলিম অভিভাবকদের মতামত উপেক্ষা করে সংগীত শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হলে তা শিক্ষার্থীদের ধর্মীয় মূল্যবোধ এবং স্বাধীনতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে। তারা সংগীত শিক্ষকের পরিবর্তে ধর্মীয় শিক্ষা সংশ্লিষ্ট শিক্ষক নিয়োগের দাবিও জানিয়ে আসছিল।

এর আগে ২০২৫ সালের ২৮ আগস্ট জারি হওয়া ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা, ২০২৫’-এ সাধারণ সহকারী শিক্ষকের পাশাপাশি সংগীত ও শারীরিক শিক্ষা বিষয়ে শিক্ষক নিয়োগের সুযোগ রাখা হয়েছিল।

তবে একই বছরের নভেম্বরে বিভিন্ন ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের আপত্তি এবং আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকার ওই বিধিমালায় সংশোধন আনে।

সংশোধিত বিধিমালায় সংগীত ও শারীরিক শিক্ষা বিষয়ে শিক্ষক নিয়োগের বিধান বাদ দেওয়া হয়। সেখানে শুধুমাত্র প্রধান শিক্ষক এবং সাধারণ সহকারী শিক্ষক নিয়োগের ব্যবস্থা বহাল রাখা হয়।

সর্বশেষ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের চূড়ান্ত অসম্মতির ফলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক (সংগীত) পদ সৃষ্টির উদ্যোগ কার্যত বন্ধ হয়ে গেল বলে মনে করা হচ্ছে।

/এসএন