• ঢাকা
  • সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:১১ এএম


হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি বন্ধের হুঁশিয়ারি দিল ইরান

দি পালস বিডি অনলাইন ডেস্ক
আপডেট টাইম: ৬ জুন ২০২৬ ৯:৪৯ পিএম

কুয়েত ও বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোতে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরান। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের আগ্রাসন অব্যাহত থাকলে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তেল ও গ্যাস পরিবহন রুট হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দেওয়ার কড়া সতর্কবার্তাও দিয়েছে দেশটি।

শনিবার (৬ জুন) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এক বিবৃতিতে জানায়, হরমুজ প্রণালিতে অননুমোদিত ট্যাংকার চলাচলকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা সৃষ্টি হওয়ার পর কেশম ও সিরি দ্বীপে তাদের যোগাযোগ অবকাঠামোর ওপর মার্কিন ড্রোন হামলা চালানো হয়। এর প্রতিক্রিয়ায় ইরানের অ্যারোস্পেস ফোর্স কুয়েতের আলি আল সালেম বিমানঘাঁটি এবং বাহরাইনে অবস্থানরত মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহরের সদর দপ্তরের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা পরিচালনা করে।

আইআরজিসির ভাষ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় রাত সাড়ে ১টার দিকে চারটি ট্যাংকার হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করে বের হওয়ার চেষ্টা করে। ইরানি নৌবাহিনীর সতর্কবার্তা এবং প্রয়োজনীয় সমন্বয়ের আহ্বান উপেক্ষা করে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে একটি ট্যাংকারে হামলা চালিয়ে সেটিকে থামিয়ে দেওয়া হয়। পরে বাকি তিনটি জাহাজ ফিরে যায়।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ওই ঘটনার কয়েক ঘণ্টা পর রাত ২টার দিকে কেশম ও সিরি দ্বীপে অবস্থিত আইআরজিসির দুটি টেলিযোগাযোগ টাওয়ারে মার্কিন ড্রোন হামলা চালানো হয়। এই হামলার পরপরই ইরানি বাহিনী কুয়েত ও বাহরাইনে মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়।

আইআরজিসি সতর্ক করে বলেছে, ভবিষ্যতে যদি এ ধরনের আগ্রাসনমূলক কর্মকাণ্ড পুনরায় সংঘটিত হয়, তাহলে ইরানের প্রতিক্রিয়া সীমিত পর্যায়ে থাকবে না। প্রয়োজনে হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছে সংস্থাটি।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এমন পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে গেলে তার সম্পূর্ণ দায়ভার মার্কিন-ইসরায়েল জোটকেই বহন করতে হবে।

/এসএন