• ঢাকা
  • শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫৮ এএম


গৃহপরিচারিকার কাজ নিয়ে চট্টগ্রামে আশ্রয় নিয়েছিল নিখোঁজ তিন কিশোরী

দি পালস বিডি অনলাইন ডেস্ক
আপডেট টাইম: ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ৬:২৬ পিএম

বান্দরবানের লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ইয়াংছা মুসলিমপাড়া থেকে নিখোঁজ হওয়ার পাঁচ দিন পর চট্টগ্রাম মহানগরীর খুলশী এলাকা থেকে তিন স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাদের অবস্থান শনাক্ত করার পর বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) ভোরে অভিযান চালিয়ে পৃথক দুটি বাসা থেকে তাদের উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধার হওয়া শিক্ষার্থীরা হলো রেশমি আক্তার (১৭), তানিয়া সুলতানা (১৩) ও হালিমাতুচ্ছ সাদিয়া (১৪)। তারা লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ইয়াংছা মুসলিমপাড়া এলাকার বাসিন্দা এবং স্থানীয় ইয়াংছা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।

জানা গেছে, গত ১০ অক্টোবর সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তিন শিক্ষার্থী একসঙ্গে বিদ্যালয়ে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়। এরপর তারা নিখোঁজ হয়ে যায়। পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাদের কোনো সন্ধান পাননি। পরে স্বজনেরা লামা থানা পুলিশকে বিষয়টি জানান এবং এ ঘটনায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

নিখোঁজের ঘটনা তদন্ত করতে গিয়ে পুলিশ জানতে পারে, তিন ছাত্রীর সর্বশেষ অবস্থান ছিল পার্শ্ববর্তী চকরিয়া উপজেলায়। এর মধ্যে বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে একটি মোবাইল নম্বর থেকে বস্তাবন্দি মানুষের অবয়ব নড়াচড়া করছে—এমন একটি ভিডিও পাঠিয়ে তিন লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করার অভিযোগ ওঠে।

একসঙ্গে তিন কিশোরী নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ইয়াংছা-বধুরঝিরি এলাকায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাদের অবস্থান শনাক্ত করে পুলিশ অভিযান চালায়।

কুমারী পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ জামিল আহমদের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের খুলশী থানা এলাকার ২ নম্বর রোডের একটি বাসা এবং খুলশী টাউন সেন্টারের কনকর্ড টাওয়ারের আরেকটি বাসা থেকে তিন শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করে।

লামা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কাইছার হামিদ বলেন, তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে তিন শিক্ষার্থীর অবস্থান শনাক্তের পর তাদের উদ্ধার করা হয়েছে। তারা গৃহপরিচারিকার কাজ করার জন্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন বাসাবাড়িতে অবস্থান করছিল।

তিনি আরও জানান, প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সকালে তিন শিক্ষার্থীকে তাদের পরিবারের সদস্যদের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।

/এসএন