• ঢাকা
  • বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫৫ এএম


স্থায়ী ঠিকানা জটিলতায় নিয়োগবঞ্চিত মিশনের হাতে অবশেষে নিয়োগপত্র

দি পালস বিডি অনলাইন ডেস্ক
আপডেট টাইম: ৬ অক্টোবর ২০২৬ ৯:৩৭ পিএম

ঝিনাইদহের স্থায়ী ঠিকানা-সংক্রান্ত জটিলতায় নিয়োগ আটকে থাকা মিশন আচার্য (৩১) অবশেষে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে কাজে যোগ দিয়েছেন। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়ে প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র জমা দিয়ে তিনি যোগদান করেন।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. আমজাদ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মিশন আচার্য ঝিনাইদহ শহরের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কলাবাগান এলাকার বাসিন্দা। তিনি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন। তার এবং পরিবারের সদস্যদের জাতীয় পরিচয়পত্রে স্থায়ী ঠিকানা হিসেবে কলাবাগানের নাম উল্লেখ রয়েছে। তবে সেখানে তাদের নিজস্ব জমি বা বাড়ি না থাকায় তার নিয়োগ স্থগিত ছিল।

মো. আমজাদ হোসেন বলেন, ‘সোমবার মিশন আচার্যের নিয়োগপত্র ইস্যু করা হয়। যোগদানের পর তাকে উপজেলা শিক্ষক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। আগামী ১১ অক্টোবর তাকে বিদ্যালয়ে পদায়ন করা হবে।’

মিশন আচার্য বলেন, ‘আমি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়ে যোগদান করে পরবর্তী নির্দেশ অনুযায়ী উপজেলা শিক্ষক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে যোগ দিয়েছি।’

সরকারি প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা-২০২৫-এ অংশ নিয়ে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছিলেন মিশন। তবে স্থায়ী ঠিকানা-সংক্রান্ত জটিলতার কারণে নিয়োগ থেকে বঞ্চিত হন তিনি।

মিশনের মা ময়না আচার্য বলেন, ‘আমাদের নিজেদের বাড়ি না থাকায় আমার ছেলের চাকরি আটকে যাচ্ছিল বারবার। এবার সবাই পাশে ছিল বলে শেষ পর্যন্ত তার নিয়োগটা হলো।’

উল্লেখ্য, গত ৪ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান মিশন আচার্যকে নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর দপ্তরে যান। তখন শিক্ষামন্ত্রী ড. এএনএম এহসানুল হক মিলন ঝিনাইদহের জেলা শিক্ষা অফিসারের কাছে ফোন করে মিশনের নিয়োগ থেকে বাদ পড়ার কারণ জানতে চান। এ সময় স্থায়ী বসতভিটা না থাকার বিষয়টি কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

পরে বিষয়টি ভুল বোঝাবুঝির কারণে হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয় এবং মিশনের নিয়োগ-সংক্রান্ত জটিলতার স্থায়ী সমাধানের নির্দেশ দেওয়া হয়। এর পরই নিয়োগপত্র পাওয়ার মাধ্যমে মিশনের দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটে এবং তিনি শিক্ষক হিসেবে কাজে যোগ দেন।

/এএসএফ