আজ ১ অক্টোবর, আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালিত হচ্ছে। প্রবীণদের অধিকার, মর্যাদা, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা এবং সমাজে তাঁদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের বিষয়ে সচেতনতা তৈরিই দিবসটির অন্যতম লক্ষ্য।জীবনের দীর্ঘ পথ পেরিয়ে প্রবীণরা পরিবার ও সমাজকে তাঁদের অভিজ্ঞতা, জ্ঞান ও মূল্যবোধ দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন। তাঁদের অনেকেই কর্মজীবনে পরিবার, প্রতিষ্ঠান ও দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাঁদের শারীরিক সক্ষমতা কমে এলেও সমাজ ও পরিবারের প্রতি তাঁদের অবদান কমে যায় না।প্রবীণদের জন্য নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করা পরিবারের পাশাপাশি সমাজ ও রাষ্ট্রেরও দায়িত্ব। তাঁদের স্বাস্থ্যসেবা, সামাজিক নিরাপত্তা, আর্থিক সুরক্ষা এবং পারিবারিক যত্নের বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন।আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস তাই শুধু প্রবীণদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর দিন নয়; বরং তাঁদের অধিকার ও প্রয়োজনের বিষয়গুলো নতুন করে সামনে আনারও একটি গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে একটি বয়সবান্ধব ও মানবিক সমাজ গড়ে তোলার প্রত্যয় গ্রহণের দিনও এটি।দিবসটি উপলক্ষে প্রবীণদের কল্যাণে কাজ করা বিভিন্ন সংগঠন ও প্রতিষ্ঠান আলোচনা সভা, র্যালি, সচেতনতামূলক কর্মসূচি ও অন্যান্য আয়োজন করে থাকে। এসব কর্মসূচির মাধ্যমে প্রবীণদের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের পাশাপাশি তাঁদের জীবনমান উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
/বিএসএস