• ঢাকা
  • শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:২৯ পিএম


সৌদিতে আবাসন, চাকরি ও ভিসা ব্যবস্থায় একগুচ্ছ পরিবর্তন

দি পালস বিডি অনলাইন ডেস্ক
আপডেট টাইম: ১৩ জুন ২০২৬ ১১:৪২ পিএম

সৌদি আরবে প্রিমিয়াম রেসিডেন্সি সুবিধাপ্রাপ্ত বাসিন্দাদের জন্য নতুন নিয়ম চালু করা হয়েছে। এখন থেকে এই বিশেষ আবাসন সুবিধাধারীদের নির্দিষ্ট একটি ওয়ার্ক পারমিট বা কাজের অনুমতিপত্র গ্রহণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

দেশটির মানবসম্পদ ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের অধীন ডিজিটাল শ্রম প্ল্যাটফর্ম ‘কিওয়া’ নতুন এ নির্দেশনা জারি করেছে। স্থানীয় দৈনিক ওকাজের বরাত দিয়ে জানা গেছে, এই বিশেষ ওয়ার্ক পারমিট পেতে প্রত্যেক আবেদনকারীকে ১০০ সৌদি রিয়াল ফি দিতে হবে।

সম্প্রতি কিওয়া প্ল্যাটফর্ম ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের সাবস্ক্রিপশন, প্রশিক্ষণ চুক্তি, কর্মীদের পদত্যাগ এবং ভিসা সংক্রান্ত বিভিন্ন সেবা আরও সহজ ও সুনির্দিষ্ট করতে একগুচ্ছ নতুন নির্দেশনা প্রকাশ করেছে।

নতুন নীতিমালায় বলা হয়েছে, কিওয়া প্ল্যাটফর্মে বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন ফি একরকম হবে না। প্রতিষ্ঠানের আকার এবং কোম্পানির ইউনিফাইড নম্বরের অধীনে নিবন্ধিত কর্মকর্তা-কর্মচারীর সংখ্যার ভিত্তিতে এ ফি নির্ধারণ করা হবে। এ অর্থ পরিশোধের জন্য ব্যাংক কার্ড, সাদাদ পেমেন্ট নম্বর এবং কিওয়া ডিজিটাল ওয়ালেটসহ বিভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহার করা যাবে।

এ ছাড়া সৌদির জনপ্রিয় কর্মসংস্থান প্রশিক্ষণ কর্মসূচি ‘তামহীর’-এর আওতায় থাকা চুক্তিগুলো এখন থেকে কিওয়া প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ইলেকট্রনিকভাবে নিবন্ধন করা যাবে। তবে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এসব প্রশিক্ষণ চুক্তি সৌদিকরণ নীতির আওতায় স্থানীয় কর্মী নিয়োগের হিসাবের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হবে না। একই সঙ্গে কর্মসংস্থান চুক্তি ডকুমেন্টেশন সংক্রান্ত বিদ্যমান শর্ত পূরণের বাধ্যবাধকতার ওপরও এর কোনো প্রভাব পড়বে না।

কর্মীদের পদত্যাগ প্রক্রিয়াতেও গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, কোনো কর্মী পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার পর সর্বোচ্চ সাত দিনের মধ্যে তা প্রত্যাহার করার সুযোগ পাবেন।

তবে এই সুযোগ তখনই প্রযোজ্য হবে, যদি ওই সাত দিনের মধ্যে নিয়োগকর্তা বা প্রতিষ্ঠান পদত্যাগপত্র আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ না করে অথবা সিদ্ধান্ত স্থগিত না রাখে। চাকরি ছাড়ার আগে নোটিশের সময়সীমা সংশ্লিষ্ট কর্মসংস্থান চুক্তির শর্ত অনুযায়ী নির্ধারিত হবে এবং ব্যক্তি ভেদে তা ভিন্ন হতে পারে।

ভিসা সংক্রান্ত জটিলতা এড়াতে কিওয়া আরও জানিয়েছে, একবার কোনো ভিসা ইস্যু হয়ে গেলে তার তথ্য আর সংশোধন বা পরিবর্তন করা যাবে না। ভিসায় কোনো ভুল তথ্য থাকলে প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী সেটি বাতিল করে সঠিক তথ্য দিয়ে নতুন করে ভিসার আবেদন করতে হবে।