• ঢাকা
  • শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:২৪ এএম


‘হাসিনাকে টিকিয়ে রাখতে চেয়েছিলেন হাসনাত’, বিস্ফোরক দাবি রাশেদ খাঁনের

দি পালস বিডি অনলাইন ডেস্ক
আপডেট টাইম: ২৫ মে ২০২৬ ৫:১১ পিএম

গণঅভ্যুত্থানের সময় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় টিকিয়ে রাখতে চেয়েছিলেন বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁন। একইসঙ্গে তিনি দাবি করেন, এ বিষয়কে কেন্দ্র করে আন্দোলনের অন্য সমন্বয়কদের সঙ্গে হাসনাতের সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতিও তৈরি হয়েছিল।

সোমবার (২৫ মে) নিজের ফেসবুক পোস্টে একটি অডিও প্রকাশ করে এসব অভিযোগ উত্থাপন করেন রাশেদ খাঁন।

ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘নাহিদ আসিফ ডিবিতে মাইর খেতো, আর হাসনাত সারজিস ডিবি কার্যালয়ের পুকুরপাড়ে জুস খেতো।’ তার দাবি, প্রকাশ করা অডিওতেই কেন তাদের ‘জুস খাওয়ানো হতো’ তার কারণ উঠে এসেছে।

প্রকাশিত অডিওতে বলতে শোনা যায়, ‘আমি কখনোই কনফ্রন্টেশনে যেতে চাই নাই। আমার ফোকাস ছিল কোটা সংস্কার, আমি কোটা সংস্কারেই থাকতে চাইসি। এখন সমন্বয়কদের মধ্যে যদি কেউ আগ বাড়িয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে নেয়, তার দায়ভার তো আমি নেব না। আমি আমার জায়গা থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি, এটা নিয়ে হাতাহাতি হওয়া বাকি ছিল শুধু।’

রাশেদ খাঁন তার পোস্টে বিএনপির সংসদ সদস্যদের উদ্দেশেও মন্তব্য করেন। তিনি লেখেন, ‘আমি বিএনপির এমপিদেরকে বলবো, সংসদে সে যখন বেশি কথা বলবে, তখন এই অডিওটা বেশি বেশি বাজাবেন।’

এছাড়া হাসনাত আবদুল্লাহ ও সারজিস আলমকে নিয়েও একাধিক অভিযোগ করেন বিএনপির এই নেতা। তার ভাষ্য, তারা মূলত আওয়ামী লীগের পক্ষের লোক ছিলেন। তিনি দাবি করেন, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলন ছিল তাদের আগের অবস্থান আড়াল করার একটি কৌশল।

ফেসবুক পোস্টে একজন উপদেষ্টার বরাত দিয়ে রাশেদ খাঁন আরও লেখেন, ‘একজন উপদেষ্টা শপথ নেওয়ার আগে ৭ আগস্ট রাত ২.০০ টার দিকে বলেছিলো হাসনাত-সারজিস জাতির সাথে বেইমানি করেছে।’

গণঅভ্যুত্থান নিয়ে লেখা আসিফ মাহমুদের বইয়েরও সমালোচনা করেন তিনি। রাশেদের অভিযোগ, বইটিতে কেবল ইতিবাচক দিক তুলে ধরা হয়েছে, কিন্তু হাসনাত ও সারজিসের ‘বেইমানির ইতিহাস’ উল্লেখ করা হয়নি।

তিনি লিখেছেন, ‘আসিফ মাহমুদের বইতে গণঅভ্যুত্থানে শুধুমাত্র ইতিবাচক দিকটা উঠে এসেছে, কিন্তু হাসনাত-সারজিসের বেইমানির ইতিহাসটা আসে নাই। আশা করি, পরবর্তী এডিশনে আমরা সেটা পাবো….. আর না পেলে ৭১ এর মত ২৪ এর বানোয়াট ইতিহাসই আমাদের সম্বল হবে।’

তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত হাসনাত আবদুল্লাহ, সারজিস আলম বা সংশ্লিষ্ট অন্য কারও আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

/এসএন