লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় নিজের পরিবর্তে অন্য ব্যক্তিকে (প্রক্সি) দিয়ে অংশগ্রহণ করিয়ে সরকারি চাকরি নেওয়ার অভিযোগে চার যুবককে আটক করা হয়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ‘অফিস সহায়ক’ পদে চূড়ান্ত নিয়োগ পাওয়ার পর যোগ দিতে এসে তাদের বিরুদ্ধে জালিয়াতির অভিযোগ ধরা পড়ে।
মঙ্গলবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে যোগদানের সময় বিষয়টি শনাক্ত হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা তাদের আটক করেন। এ ঘটনায় রাজধানীর শাহবাগ থানায় একটি মামলা হয়েছে।
আটকরা হলেন টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার মো. আ. হালিম (রোল-১৯০০৪৪৮১), সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার মো. আলী হায়দার (রোল-১৯০১৬৩৯১), কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার মো. রাসেল রানা লিটন (রোল-১৯০১১৯৩৩) এবং গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার মো. মাসুদ ফকির (রোল-১৯০১৯২৫৭)।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪, ২৫ ও ২৮ আগস্ট অফিস সহায়ক (গ্রেড-২০) পদে মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ওই সময় অংশগ্রহণকারী প্রত্যেক প্রার্থীর ছবি সংরক্ষণ করা হয়েছিল। পরে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রার্থীদের ১৯ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টায় সচিবালয়ের ৩ নম্বর ভবনের ১ নম্বর কক্ষে যোগদানের জন্য ডাকা হয়।
নির্ধারিত সময়ে ওই চারজন যোগ দিতে এলে কর্মকর্তাদের সন্দেহ হয়। পরে মৌখিক পরীক্ষার সময় সংরক্ষিত ছবির সঙ্গে তাদের পরিচয় মিলিয়ে দেখা হলে অসঙ্গতি ধরা পড়ে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্তরা স্বীকার করেন যে, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় তাদের হয়ে অন্য ব্যক্তি অংশ নিয়েছিলেন। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের দাবি, তারা লিখিতভাবেও এ বিষয়ে নিজেদের দায় স্বীকার করেছেন।
ঘটনার পর অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
/এএসএফ