সোমবার (৩ আগস্ট) মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো. হেফজুর রহমান এবং পরীক্ষা-সংক্রান্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ সালমানের স্বাক্ষরিত এক নোটিশে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শিশু শ্রেণি থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত অনুষ্ঠিত অর্ধবার্ষিক পরীক্ষা, দশম শ্রেণির প্রাক-নির্বাচনি পরীক্ষা এবং আলিম প্রথম বর্ষের সমাপনী পরীক্ষায় অংশ নেওয়া কয়েকজন শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে উত্তরপত্রে কারচুপি ও বিভিন্ন ধরনের অনৈতিক পন্থা অবলম্বনের অভিযোগ ওঠে। পরে উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়ন এবং অভ্যন্তরীণ তদন্তে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসেবে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীদের তালিকা অনুযায়ী, মোট ৩০ জনের মধ্যে আলিম প্রথম বর্ষের ১২ জন শিক্ষার্থী রয়েছেন। এছাড়া সপ্তম শ্রেণির আট জন, অষ্টম শ্রেণির তিন জন, নবম শ্রেণির দুই জন, দশম শ্রেণির তিন জন এবং ষষ্ঠ শ্রেণির দুই জন শিক্ষার্থী বহিষ্কারের তালিকায় রয়েছেন।
তদন্তে দেখা গেছে, ইংরেজি দ্বিতীয়পত্র বিষয়ে সবচেয়ে বেশি অনিয়ম ধরা পড়েছে। এ বিষয়ে ১১ জন শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে উত্তরপত্রে জালিয়াতির অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। এছাড়া আরবি প্রথম ও দ্বিতীয়পত্র, আইসিটি, নাহু, বালাগাত-মানতিক, কুরআন, পৌরনীতি, ইতিহাস এবং বিজ্ঞান বিভাগের বিভিন্ন বিষয়ের পরীক্ষাতেও অনিয়মের ঘটনা শনাক্ত হয়েছে।
এ বিষয়ে তা’মীরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো. হেফজুর রহমান বলেন, প্রতিষ্ঠানের দীর্ঘদিনের সুনাম, শিক্ষার মান, পরীক্ষা ব্যবস্থার স্বচ্ছতা এবং একাডেমিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতেই অনিয়মে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান, ভবিষ্যতেও জালিয়াতি বা পরীক্ষায় অসদুপায়ের ঘটনায় ‘শূন্য সহনশীলতা’ নীতি অনুসরণ করা হবে।
/এসএন