ইরানের বিরুদ্ধে আবারও সামরিক অভিযান শুরু করা হবে কি না, তা নিয়ে জাতীয় নিরাপত্তা দলের সঙ্গে বৈঠক করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় বলে মার্কিন কর্মকর্তারা ফক্স নিউজকে নিশ্চিত করেছেন।
কর্মকর্তারা জানান, এ বিষয়ে বুধবার ও বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসে বৈঠক হয়েছে।
তারা আরও জানান, আগামী ৯ নভেম্বর মধ্যপ্রাচ্যে অমাবস্যা। ফলে ওই সময় চাঁদের আলো প্রায় থাকবে না। সামরিক অভিযান পরিচালনার জন্য এমন পরিস্থিতি অনুকূল বলে মনে করছেন মার্কিন কর্মকর্তারা।
বৃহস্পতিবার ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ট্রাম্প বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ আবার শুরু করা হবে কি না, সে বিষয়ে ওয়াশিংটন ‘সিদ্ধান্ত নেবে’।
তিনি জানান, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি পুরোপুরি ধ্বংস করে দেওয়া এবং ভবিষ্যতে যাতে দেশটি আর কখনো তা পুনরায় চালু করতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে আরও হামলা চালানো হবে কি না, সে বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।
ট্রাম্প বলেন, ‘সম্ভব হলে আমি দেশটির বাকি অংশ ধ্বংস করতে চাই না। তবে হয়তো আমাকে তা করতে হতে পারে। খুব শিগগিরই আপনারা জানতে পারবেন।’
এদিকে ইরানে বড় ধরনের সামরিক অভিযান পুনরায় শুরুর সম্ভাবনা মাথায় রেখে প্রস্তুতি চূড়ান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)। তবে ওয়াশিংটন থেকে এখনো নতুন কোনো নির্দেশনা পায়নি তারা। মার্কিন এক কর্মকর্তার বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস।
অন্যদিকে, বৃহস্পতিবার টেলিফোনে ট্রাম্পের সঙ্গে আলাপকালে ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলী ফালেহ আল-জাইদি বলেছেন, প্রতিবেশী দেশগুলোর বিরুদ্ধে হামলা চালানোর জন্য ইরাকের ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেওয়া যাবে না।
ইরাকের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানায়, রাষ্ট্রগুলোর সার্বভৌমত্বের প্রতি সম্মান জানানো এবং প্রতিবেশী দেশগুলোর বিরুদ্ধে আগ্রাসন চালানোর ঘাঁটি হিসেবে ইরাকের ভূখণ্ড ব্যবহার না করার বিষয়ে বাগদাদের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী।
সূত্র: ফক্স নিউজ
/এএসএফ